শুক্রবার, ১৯ Jul ২০১৯, ০৯:০৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
কেন্দুয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা তহবিল থেকে প্রাপ্ত চেক বিতরণ করেন -এমপি অসীম কুমার উকিল বারহাট্টায় বন্যার্ত মানুষের পাশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু শৈলকুপায় ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা সরল বিশ্বাসের ভূল,কী বোঝাতে চেয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান! “দুর্নীতি মানে দুর্নীতি” ওবায়দুল কাদের অধ্যক্ষ আবদুল কাদের বাশঁখালীর শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত সিরাজগঞ্জে মাদক বিরোধী কুইজ প্রতিযোগিতা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত কেন্দুয়ায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু জৈন্তাপুরে এপিবিএন’র অভিযানে গাজাসহ আটক ১ সরিষাবাড়ীতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে মেয়রের ত্রান বিতরন কেন্দুয়ায় শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ




একজন আজিজ ভাইয়ের ফুচকা বিক্রতা থেকে চিত্রশিল্পী হয়ে ওঠার প্রতিভার গল্প। 

একজন আজিজ ভাইয়ের ফুচকা বিক্রতা থেকে চিত্রশিল্পী হয়ে ওঠার প্রতিভার গল্প। 




মোঃ আব্দুল আউয়াল,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥

পেশায় ফুচকা বিক্রেতা। ঠাকুরগাঁওয়ের সব শিক্ষার্থী, অভিভাবকের কাছে আজিজ ভাই
নামে পরিচিত স্বাধীনতার পর থেকেই। শহরের সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠের পাশের একটি ছোট ফুচকার দোকান করে জীবিকা নির্বাহ
করেন তিনি।

সারাদিন অনেক কিছু খাওয়া হলেও তার হাতের ফুচকা না খেলে মনের তৃপ্তি মেটে না এমনটাই মনে করেন ফুচকাপ্রেমীরা। কিন্তু এই ফুচকা বিক্রেতার যে এ পেশার বাইরেও আরও একটি পরিচয় রয়েছে। আর সেটি হচ্ছে তিনি একজন চিত্রশিল্পী। দিন শেষে রাতে অবসর সময় পার করেন কাঠ পেন্সিল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ছবি এঁকে। যেমন নিপুন হাতে সুস্বাদু ফুচকা বানান তিনি। ঠিক তেমনি তিনি ইতিপূর্বে কাঠ পেন্সিলের মাধ্যমে অর্ধশতাধিক বিভিন্ন ছবি নিপুন হাতে অঙ্কন করেছেন মনের মাধুরী মিশিয়ে। কিন্তু ছবিগুলো প্রদর্শনী করার ইচ্ছে থাকলেও অর্থের অভাবে করতে পারেননি আবদুল আজিজ।

অবশেষে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়ালের সার্বিক সহযোগিতায় ভাষা আন্দোলনের মাসে বইমেলায় তার চিত্র প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করে দিয়ে স্বপ্ন পূরণ করেছেন বলে ফুচকা বিক্রেতা আবদুল আজিজ জানিয়েছেন। বইমেলায় তার আঁকা চিত্র প্রদর্শনী দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে সব বয়সের মানুষ। আজিজের অসাধারণ প্রতিভা দেখে মুগ্ধ সাধারণ মানুষ।

প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা নেই কিন্তু একজন সাধারণ মানুষের মাঝে এমন প্রতিভা লুকিয়ে আছে এটা দেখে সবাই অবাক। চিত্রশিল্পী আবদুল আজিজের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, ‘আমি নাইট স্কুলে পড়ালেখা করেছি। দিনের বেলা হোটেলে কাজ করে রাতে পড়তে যেতাম। বাবা যুদ্ধে মারা যান। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। সংসার মূলত বড় ভাই চালাতেন।’

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক আবদুল আওয়াল বলেন, আজিজ ভাইয়ের প্রতিভা হচ্ছে একটি
ছাইচাপা আগুন। এটা যে কোনো সময় বের হয়ে আসত। আজিজ ভাইয়ের মতো এমন অনেক শিল্পী ঠাকুরগাঁওয়ে আছে যাদের একাডেমিক শিক্ষা নেই কিন্তু সুন্দর আর্ট করেন। এর পরে আমরা চেষ্টা করব দেশের মানুষের কাছে এ রকম চিত্রকর্মগুলো তুলে ধরতে। আজিজ ভাইকে দেখে আমরা শিক্ষা নেব যে চেষ্টা থাকলে প্রতিভা বিকশিত হবেই।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla
error: Content is protected !!