শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
টংগিবাড়িতে আনারস মার্কার মত-বিনিমিয় সভা অনুষ্ঠিত মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্সে ৩৫টি প্লাস্টিক কন্টেইনারে ৯৪৫ লিটার মদ উদ্ধার।  মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে ইউনিসেফের সৌজন্য সাক্ষাৎ বর্তমান সরকার সুবিধা বঞ্চিতদের পাশে রয়েছে : গোয়াইনঘাটে পৃথক অনুষ্টানে জেলা প্রসাশক চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত কলারোয়া গড়তে চাই নির্বাচনী পথ সভায় লাল্টু উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এমনভাবে গ্রহণ করুন, জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়-প্রধানমন্ত্রী।  ওবায়দুল কাদেরের সুস্থতায় চট্টগ্রাম তৃণমূল এনডিএম কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে যশোরে মানববন্ধন ত্রিশালে শ্যামলী বাংলা পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ২০ যাত্রী আহত।  আগৈলঝাড়ায় কৃষি প্রযুক্তি হস্তান্তর মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত




কিশোরগঞ্জের হাওরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফসল রক্ষা বাঁধ ও নদী খনন প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের হাওরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফসল রক্ষা বাঁধ ও নদী খনন প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ




কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রাম ও মিঠামইনে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ ও নদী খননের নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গিয়াছে।
জানা যায়, শুধু মাত্র মিঠামইন উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফসল রক্ষা বাঁধের ৬৩মিটার ফসল রক্ষা বাধের প্রকল্প রয়েছে। এ মধ্যে ১২টি সুইচ গেইট ৫টি বক্স ড্রেইন, ৭টি খাল, ২৫টি ইরিগেমান ২৬ কিলোমিটার জায়গা কাজ চলছে।নিম্নমানের দূর্বল কাজ হচ্ছে।

সকল প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে অষ্টগ্রাম উপজেলায় বিগত বছরে এসকল কাজ বাস্তাবায়িত হলেও কোন কাজে আসেনি। অষ্টগ্রাম উপজেলার দেওঘর ইউনিয়নে দু’টি প্রকল্পে ৫৭ লক্ষ টাকার ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ রয়েছে। বাঙ্গালাপাড়া ইউনিয়নের আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ ফসল রক্ষা বাঁধে একটি প্রকল্পে মোট ১৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ। আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নে ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ফসল রক্ষা বাঁধে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ।

এসকল প্রকল্প বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে এসকল প্রকল্পেঅর্থ বরাদ্দ হয়েছে। নামে মাত্র কাজ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তায় কাজ করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। অন্যদিকে মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নে কালনী-কুশিয়ারা ড্রেজিং প্রকল্প নামে নদী খননের কাজ চলছে। ৪৩৯০ মিটার দীর্ঘ প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ২৪ কোটি টাকা।

প্রথম পর্যায়ে সাহেব নগর থেকে বিশুরি কোন পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার নদী খনন করলেও তা খননের সাথে সাথে ভরাট হয়ে যায়। দ্বিতীয় পর্যায়ে একই জায়গায় নতুন করে কাজ শুরু করে। এমনি ভাবে নদী খননের নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় হচ্ছে বলে নদীর তীরবর্তী বাসিন্দারা জানান। কালনী-কুশিয়ারা খনন প্রকল্পের ঠিকাদার ও ড্রেজিং এমডি খলিলুর রহমান জানান, এ সকল অভিযোগ মিথ্যা। তিনি আরোও জানান, নদী খনন প্রকল্পের কাজ সঠিক হচ্ছে। এ কাজের তদারকি করছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাগন। কোন বক্তব্য থাকলে তাদের জিজ্ঞেস করেন।

অষ্টগ্রাম উপজেলার দেওঘর ইউনিয়নের সচিব হারুন মিয়া জানান, এ ইউনিয়নে দু’টি প্রকল্প রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের। প্রকল্প দু’টি ফসল রক্ষা বাঁধ। এসকল প্রকল্পে নামে মাত্র কাজ করে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করেন। প্রকল্প বস্তবায়ন কর্মকর্তা গন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে কোন যোগাযোগ করেনি। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন কার্যালয় নেই। জেলা অফিস থেকে নিয়ন্ত্রন করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিশোরগঞ্জ জোনের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম এর সাথে মোঠো ফোনে যোগযোগ করা হলে, তিনি এ সকল অভিযোগ সত্য নয়। এসকল প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জেলার হাওরাঞ্চলে ফসল রক্ষা বাঁধ সহ বিভিন্ন প্রকল্পে ১ কোটি ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla