শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
জেঠা কর্তৃক মার্কেট দখলের চক্রান্ত: বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় শঙ্কিত ওয়ারিশরা ঢাকা-রাজশাহী রুটে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নালিতাবাড়ী উপজেলায় জমির বিরোধে চেয়ারম্যানের গুলিতে কৃষক নিহত, আটক-৫।  ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করার প্রতিবাদে কলমাকান্দায় মানববন্ধন সৈয়দপুরে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গ্রাম আদালতের বার্তা মাঠ-পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে- শওকত ওসমান, উপ-পরিচালক।  নড়াইল ট্রাফিকের প্রাক্তন সার্জেন্ট রফিকুল রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় ২০বছর পর কারাগারে! বাবার সহকর্মীদের চোর বলতে বাধলো না শমী কায়সারের!  দুর্গাপুরে যুবতী নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, হুমকীতে বিপাকে বাদীর পরিবার।  প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের কর্মচারীসহ শৈলকুপার ৩জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা




গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ভাঙ্গারহাট-নৈয়ারবাড়ি রাস্তার বেহাল দশা। 

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ভাঙ্গারহাট-নৈয়ারবাড়ি রাস্তার বেহাল দশা। 




এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার ভাঙ্গারহাট থেকে নৈয়ারবাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা।

ফলে ওই গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাই দ্রুত রাস্তাটির সংস্কার করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানায়, তাদের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। সন্তানরা ঠিক ভাবে স্কুলে যেতে পারে না। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে খুবই সমস্যা হয়। তাছাড়া গর্ভবতী মায়েদের শহরের হাসপাতালে নিতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। গ্রামের বাড়িতে সন্তান প্রসব করাতে গিয়ে অনেক মায়ের অকাল মৃত্যুও হয়। তাই ভাঙ্গারহাট থেকে নৈয়ারবাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।
স্কুলের শিক্ষার্থীরা জানায়, বৃষ্টি হলে রাস্তা দিয়ে হেঁটে স্কুলে যেতে কষ্ট হয়। তাছাড়া
ভাঙা কাঠের ব্রিজ দিয়ে চলাচলের সময় পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে।
জানা গেছে, কোটালীপাড়া উপজেলার বিল অঞ্চল খ্যাত পোলটানা গ্রামের মানুষের যাতায়াতের জন্য এখনো ভালো কোনো ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। খালের পাড়, পুকুরের পাড় কিংবা জমির আল ঘেঁষে গড়ে ওঠা রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয় এলাকাবাসীর।

আরও জানা গেছে, বিলের মধ্য দিয়ে পায়ে হাঁটা রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটার। এই রাস্তাটি নির্মাণ হলে এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের সুবিধা হবে। এমনকি গ্রামের মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থারও উন্নয়ন হবে।
এ বিষয়ে সাদুল্লাহপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভীম চন্দ্র বাড়ৈ জানান, রাস্তাটি নির্মাণ করা গেলে হাজার হাজার কৃষক সড়ক পথে তাদের উৎপাদিত ফসল বাড়িতে আনতে পারবে। সে ক্ষেত্রে তাদের ফসল উৎপাদন খরচও কম হবে। সর্বোপরি যাতায়াতের ক্ষেত্রে এলাকার মানুষ উপকার পাবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla