বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ




দুর্জয় বাংলায় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরুঃ হাতীবান্ধা ইউপি রাস্তার কালভার্ট তুলে নেওয়াই হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

দুর্জয় বাংলায় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরুঃ হাতীবান্ধা ইউপি রাস্তার কালভার্ট তুলে নেওয়াই হাজারো মানুষের দুর্ভোগ




ফলোআপ

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক জেলা প্রতিনিধি শেরপুরঃ দুর্জয় বাংলা ডট কম পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ তদন্তের নির্দেশ ও আইনের মাধ্যমে বিচার ও এলাকাবাসীর যাতায়াতের জন্য হাতীবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমীন দোলা কে নির্দেশ দিয়েছেন এরই প্রেক্ষিতে গত ২০ আগষ্ট রবিবার ইউপি চেয়ারম্যান তদন্ত করতে এলাকায় যান দুষি ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা পএ লিখে তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ এর কাছে জমা দিবেন বলে হাতীবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমীন দোলা জানান।



গত প্রকাশিত সংবাদ –
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী ৬ নং হাতীবান্ধা হাতীবান্ধা ইউনিয়নে নিজ ক্ষমতাবলে সরকারি কালভার্ট তুলে নেওয়াই রাস্তা বিদধ্বস্ত হয়ে কয়েক গ্রামের জনসাধারণের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হাতীবান্ধা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলতৈল গ্রামের কয়েকজন মিলে তা নিজ ক্ষমতাবলে কালভার্ট তুলে নেওয়ার ফলে সালধা, পাইকুড়া, গ্রাম থেকে পাগলার মুখ পর্যন্ত প্রায় ৫/৬ কিলোমিটার ইউনিয়ন পরিষদের কাচা রাস্তা। এই পথে পশ্চিম বেলতৈল,পাগলারমুখ,পাইকুড়া,গোপালখিলা, পুরুষ উত্তমখিলা,ছুড়িহারা সহ ৭/৮ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্ত।এই রাস্তাটি অতি জুরুরী ভাবে মেরামত না হলে স্কুল পরুওয়া ছাএ ছাএি সহ এলাকাবাসী যাতায়াত করতে পারছেন না ঐ এলাকার মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে ৪র্থ শ্রেণির মোঃ হৃদয় মিয়া,আব্দুল জলিলের ছেলে জাহিদ ৫ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলেন আমরা সাইকেলে করে স্কুলে যাতায়াত করি এখন ৫/৬ কিলোমিটার পথ পায়ে হেটে যেতে হয় স্কুলে অনেকেই আবার স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।



হাতীবান্ধা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলতৈল গ্রামের সোহরাব আলী,মোঃ সইজুদ্দিন বলেন এই রাস্তাটি অতি প্রয়োজনিয়। এখানে রাস্তার কালভার্ট টি উঠিয়ে না নিলে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হইতো না কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার কালভার্ট টি তারা ক্ষমতাবলে নিয়ে নিজস্ব কাজে ব্যবহার করছেন।তবু্ও এখনো প্রশাসনের বা জনপ্রতিনিধি গন তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেয়নি। এ-ই রাস্তাটি বৃষ্টির দিনে চলাচলে কষ্ট হয়। সংস্কার সম্প্রসারণ ও পাকা করণের অভাবে রাস্তাটি এমনিতেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে বৃষ্টির দিনে।শুষ্ক মৌসুমে যেমন তেমন বর্ষা মৌসুমে পথচারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হেটেও চলাচল করা কষ্টসাধ্য। তবুও বাধ্য হয়েই চলতে হয়। কৃষকদের কৃষিপন্য ইচ্ছে করলেই বাজারজাত করা যায় না।আবার নতুন করে ভেংঙ্গে যাওয়া রাস্তা পারাপারে কৃষকদের নানা বিড়াম্বনার পরতে হয়। অতিগুর্তপূর্ন হলেও রাস্তাটির প্রতি জনপ্রতিনিধিদের নজরে না আশায় পাকাকরণ সম্ভব হয়নি। এলাকাবাসী অনেক দিন আগে থেকেই দাবি করে আসছেন বলে এলাকার বাসিন্দারা জানান।ঝিনাইগাতী উপজেলার ৬ নং হাতিবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন দোলা সহ গ্রামবাসিরা জানায়, রাস্তাটি পাকা করণের বিষয়ে বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসণের কাছ থেকে আশ্বাস ও পাওয়া যায়। তা কবে বাস্তবায়িত হবে সঠিক কথা কেউ বলতে পারছেন না। রাস্তাটি পাকাকরণ হলে প্রায় ৭/৮ গ্রামের মানুষের চরম দূর্ভোগ হতে রক্ষা পাবে।



আশরাফ আলী সহ অনেকে জানান,পশ্চিম বেলতৈল গ্রামের ফয়জুল ইসলামের নেতৃত্বে তার আত্মীয় সজন রা,গত প্রায় দের দুই মাস পূর্বে কালভার্টটি তুলে নিয়ে যায়। কালভার্টটি নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে। রাস্তার কালভার্ট তুলে নেওয়ার ফলে সেই জায়গায় অনেক টুকু পানির তুরে ভেংঙ্গে সৃষ্টি হয় গর্তের। সম্প্রতি পহাড়ী ঢলের পানির তোড়ে ওই স্থানে প্রায় এক দেরশত ফুট রাস্তা বিধ্বস্ত হয়ে পুরো এলাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছেন।ঐ ভাঙ্গা অংশ দিয়ে প্রবল বেগে পাহাড়ী বন্যার পানি প্রবেশ করে ফসলী আবাদি জমিতে বালির স্তর পড়েছে। এতে কয়েক একর জমি আবাদের অনুপোযুগী হয়ে পড়েছে। এতে কৃষকদের বড় ক্ষতি সাধিত হয়েছে।এদিকে ঢলের পানি নেমে যাওয়ার প্রায় ২০/২৫ দিনেও এই রাস্তা চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জুরুরী ভাবে ব্যাবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীর পক্ষথেকে।এ নিয়ে গ্রামবাসিদের মধ্যে নানা উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগও করেছেন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এখনো কোন আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।অভিযুক্ত ফরজুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কালভার্টটি অকেজো অবস্থায় ছিল তাই আমি তুলে নিয়েছি।



এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে স্থানীয় ৬ নং হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কে নিদের্শ দেয়া হয়েছে। ৬ নং হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমাকে নির্বাহী কর্মকর্তা নির্দেশ দিয়েছেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অসীম কুমার উকিল

পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অধ্যাপক অপু উকিল







আজকের নামাজের সময় সূচী

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৪:২৭
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:০৬
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩২
  • ১১:৫৭
  • ৪:১৯
  • ৬:০৬
  • ৭:২০
  • ৫:৪৪
©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla