বুধবার, ২৬ Jun ২০১৯, ১২:১৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মহিলা ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার কুট্টিকে কুপিয়ে হত্যা সুনামগঞ্জে দুই উপজেলায় দুই লাশ উদ্ধার সুনামগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় নারী আসামী গ্রেফতার রাজারহাটে স্কুল শিক্ষক মনিবুলের লটকন চাষে সাফল্য নীলফামারীতে নতুন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরীর যোগদান জৈন্তাপুরের স্কুল ছাত্র শামীম বাঁচতে চায় ডিআইজি মিজানুর রহমানকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মুক্তাগাছা টু ময়মনসিংহ রুটে বিআরটিসি বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী  পিসি রোড নিমতলায় ৭৫ কোটি টাকার জায়গা উদ্ধার করলো চসিক ভ্রাম্যমান আদালত আওয়ামীলীগ এই উপমহাদেশের প্রাচীন সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল, কেউ ধ্বংস করতে পারবে না-শেখ হাসিনা। 




দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে দরিদ্রদের ভিজিএফ চাল হরিলুট! চুরি রোধ কল্পে দাবি। 

দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে দরিদ্রদের ভিজিএফ চাল হরিলুট! চুরি রোধ কল্পে দাবি। 




 ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

দেশে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে দরিদ্রদের ভিজিএফ চাল হরিলুট ! চুরি রোধ কল্পে দাবি গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংবাদ কর্মী ও সুশীল সমাজের।   

বাংলাদেশে গরীবদের জন্য ভিজিএফ বিতরন চালু করায় গরীবদের তেমন উপকার হয়না। উপকার হচ্ছে বেশীরভাগই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্থানীয় নেতা, চাটুকারদের।

ঈদের আগে হাজার হাজার অসহায়, দুঃস্থ্য ও গরীবদের নামে সরকার তাদের দুঃখের সাথে শেয়ার এবং প্রকৃত অসহায়রা যেন ঈদের সময় অনাহারে না থাকে সেই মানবিক দিক চিন্তা করে জনপ্রতি ১৫ কেজি চাল বরাদ্ধ দেন।

সরকারি আদেশে ইউপি চেয়ারম্যানগন অসহাদের তালিকাভুক্তি করে শত শত মেঃ টন ভিজিএফ চাল সরকারি গুদাম থেকে উত্তোলন করে। প্রতিটি ইউনিয়নে হাজার হাজার ভিজিএফ কাড থাকার কারনে অনেকেই জানেনা অসহায় দুঃস্থ্য কতজন আর কে কে!

এ সুযোগে চেয়ারম্যান, মেম্বার নেতারা সিংহভাগ কাডের চাল আগেই কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করে দিয়ে আসছে। এছাড়া কিছু কাডদারিদের চাল বিতরন করলেও ১৫ কেজির স্থলে ৭/৮ কেজি থেকে শুরু করে ১০/১২ কেজি করে বিক্রি করে আসছে। এসব খবর এখন প্রকাশ্য। যা প্রশাসন থেকে শুরু করে সকল মহলেন মুখস্থ। এরপরও চলছে ভিজিএফ বরাদ্ধ আর বিতরন।

অসহায়দের সহযোগিতার নামে ভিজিএফ বরাদ্ধ এখনি বন্ধ করে চাল চুরি রোধ কল্পে বিকল্প চিন্তা করা উচিত সরকারের উচ্চ মহলের। এ ব্যাপারে একজন রাজনৈতিক সংবাদ কর্মী ওয়াহিদুজ্জামান আরজু বলেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও যদি দরিদ্রদের চাল সঠিক ভাবে বিতরণের মানষিকতা রাখেন, তাহলেই সন্ভব চাল চুরি বন্ধ করা সম্ভব,  আর তিনি যদি অসৎ দুর্নীতিবাজ হন, তাহলে চুরির ভাগ ভাটোয়ারা সামলাতে চেয়ারম্যানকে তো চোর হতেই হবে। এ ক্ষেত্রে দরিদ্ররা তাঁর ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হওয়াই স্বাভাবিক। তিনি আরো বলেন, ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার  দেওয়া দরিদ্রদের চাল ইউএনও, ও টেক অফিসারের দুর্নীতি ও দায়িত্বহীনতার কারণে জনপ্রতিনিধিরা দরিদ্রদের মাল আত্মসাৎ করছে, ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী তাঁর প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













পিকনিক বুকিং চলছে!

©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla
error: Content is protected !!