বুধবার, ২৬ Jun ২০১৯, ১২:০৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মহিলা ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার কুট্টিকে কুপিয়ে হত্যা সুনামগঞ্জে দুই উপজেলায় দুই লাশ উদ্ধার সুনামগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় নারী আসামী গ্রেফতার রাজারহাটে স্কুল শিক্ষক মনিবুলের লটকন চাষে সাফল্য নীলফামারীতে নতুন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরীর যোগদান জৈন্তাপুরের স্কুল ছাত্র শামীম বাঁচতে চায় ডিআইজি মিজানুর রহমানকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মুক্তাগাছা টু ময়মনসিংহ রুটে বিআরটিসি বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী  পিসি রোড নিমতলায় ৭৫ কোটি টাকার জায়গা উদ্ধার করলো চসিক ভ্রাম্যমান আদালত আওয়ামীলীগ এই উপমহাদেশের প্রাচীন সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল, কেউ ধ্বংস করতে পারবে না-শেখ হাসিনা। 




নেত্রকোনার কেন্দুয়া পরপর তিনটি গণধর্ষণের ঘটনায় জনমনে আতংক, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা

নেত্রকোনার কেন্দুয়া পরপর তিনটি গণধর্ষণের ঘটনায় জনমনে আতংক, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা




 

এ কে এম আব্দুল্লাহ, নেত্রকোনা থেকেঃ নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় ঈদ পরবর্তী এক সপ্তাহের ব্যবধানে পর পর তিনটি গণধর্ষণের ঘটনায় জনমনে এক ধরনের আতংক, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার মধ্য রাতে কেন্দুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কিশোরীকে অজ্ঞান অবস্থায় পেঁৗছে দেয় পথচারীরা। কিশোরীটি উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের দুল্লী-বৈরাটী গ্রামের।
কিশোরীর পরিবার জানায়, অটোচালক ইকবালের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে ঈদের পরদিন ৬ জুন অটোতে করে তারা দুজন ঘুরতে বের হয়। পরে হাওরের পরিত্যাক্ত একটি মেশিন ঘরে ৫ দিন আটকে রেখে বন্ধুবান্ধব মিলে গণধর্ষণ করে। দুর্বৃত্তরা ১২ জুন বুধবার গোগবাজার জামতলা এলাকায় অজ্ঞান অবস্থায় কিশোরীটিকে ফেলে রেখে গেলে সেখান থেকে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
এদিকে গত ১১ জুন গড়াডোবা ইউনিয়নের আউজহাটি শিবপুর গ্রামের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী ফুফুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে গণ ধর্ষণের শিকার হয়। এর আগে ৬ জুন ঈদে বাড়িতে এসে এক গার্মেন্টস কর্মী কথিত প্রেমিকের সাথে মোটর সাইকেলে বেড়াতে গিয়ে গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পুলিশ দুটি ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেফতার দেখালেও পোশাককমর্ী ধর্ষণের মূল আসামী কথিত প্রেমিক সুমন ওরয়ে নূরে আলমকে এখনও আটক করতে পারেনি।
এছাড়াও কেন্দুয়ায় ঈদের নামাজসহ বিভিন্ন তুচ্ছ ঘটনায় দুই পক্ষের একাধিক ষংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় শতাধিক আহত হয়। গত ৬ জুন থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত তিনটি চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একাধিক সংঘর্ষের শতাধিক মানুষ আহত হওয়ায় ঘটনায় উপজেলাবাসীর মাঝে চরম আতংক ও উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য এড্ভোকেট দিলোয়ারা বেগম বলেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, আইনের কঠোর প্রয়োগ না হওয়া এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে বিচার প্রার্থীরা অনেক সময় ন্যায় বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ধর্ষণ মামলায় মেডিকেল রিপোর্ট পেতে গিয়েও ভিকটিমের পরিবার অনেক সময় হয়রানীর শিকার হতে হয়। ফলে এসকল ঘটনা এমেই বেড়েই চলেছে।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পুলিশ তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযত ভাবে পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা দুটি গণধর্ষন মামলার সাথে জড়িত ৬ আসামীকে গ্রেফতার করেছি। অচেতন অবস্থায় কিশোরী উদ্ধারের ঘটনায় ৬ জনকে আসামী করে শুক্রবার দুপুরে মামলা হয়েছে। ধর্ষনের সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













পিকনিক বুকিং চলছে!

©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla
error: Content is protected !!