মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
জামালগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ট্যান্ডসহ তিনশত জাতীয় পতাকা বিতরণ জামালগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ষ্টীল আলমিরা, চেয়ার ও টেবিল বিতরণ সরকারি ১৫০ টন চাল আত্মসাতের মামলায় খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা কারাগারে।  সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ নেতার বাড়ি হামলা লুটপাট কালে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মাথা থেঁতলে দেয়।    গফরগাঁওয়ে ভাড়া বাড়িতে চেয়ারম্যানের লাশ, বধ্যভূমির খালে নবজাতকের লাশ উদ্ধার। ২৫ মার্চ মানব সভ্যাতার ইতিহাসে এক কলঙ্কিত দিন.-একরামুল করিম সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ছাত্রছাত্রীদের দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শাহাদাত হোসেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি,ভোটগ্রহণ ৫ মে।  খাদ্যে ভেজাল মাদকের চেয়েও ভয়াবহ, তাই খাদ্যে ভেজালকারীর শাস্তি মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিত ডলুরা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত




নেত্রকোনার পূর্বধলায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড, শ্বাশুড়ীকে খালাস দিয়েছে আদালত। 

নেত্রকোনার পূর্বধলায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড, শ্বাশুড়ীকে খালাস দিয়েছে আদালত। 




এ কে এম আব্দুল্লাহ, নেত্রকোনা।।

নেত্রকোনার পূর্বধলায় স্ত্রী লাভলী আক্তারকে হত্যার দায়ে পাষন্ড স্বামী (পলাতক) ফারুক মিয়াকে মৃত্যুদন্ড এবং মামলার অপর আসামী শ্বাশুড়ী মাজেদা বেগমকে বে-কসুর খালাসের আদেশ দিয়েছেন নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা বুধবার দুপুরে প্রধান আসামীর অনুপস্তিতিতে এ রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী ফারুক মিয়া নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কালডোয়ার গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।
আদালত সূত্রে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে প্রকাশ, বিয়ের কয়েক মাসের পার হতে না হতেই পারিবারিক কলহের জের ধরে বিগত ২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে ফারুক মিয়া তার স্ত্রী লাভলী আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। রাতেই লাশ ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে রেখে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে লাভলী আত্মহত্যা করেছে বলে অপ-প্রচার চালায়। পরদিন সকালে খবর পেয়ে লাভলীর বাবা জয়নাল আবেদীন পুলিশ নিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে নিহত লাভলীর বাবা জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ২ সেপ্টেম্বর জামাতা ফারুক ও তার মা মাজেদা বেগমসহ মোট ৫ জনকে আসামী করে পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সনের ৩১ জুলাই আসামী ফারুক মিয়া ও তার মা মাজেদার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে।

বিজ্ঞ বিচারক ৯ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণান্তে আসামী ফারুকের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণীত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদন্ড এবং অপর আসামী মাজেদা বেগমের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণীত না হওয়ায় তাকে বে-কসুর খালাস দেয়া হয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla