বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০২:০২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
কেন্দুয়ার নিখোঁজ স্কুল ছাত্রী ১মাস ৫দিন পর গাজীপুর থেকে উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২০ কুষ্টিয়ায় চাঞ্চল্যকর নার্স বিলকিস হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে  ভয়াল ২১ আগস্ট গ্রেনেড হত্যা দিবস পালিত।  দুর্জয় বাংলায় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরুঃ হাতীবান্ধা ইউপি রাস্তার কালভার্ট তুলে নেওয়াই হাজারো মানুষের দুর্ভোগ রাজারহাটে র‍্যাবের গুলিতে গুলিবিদ্ধ পলাতক আসামী গ্রেপ্তার বকশীগঞ্জে যাত্রী সেজে অটো রিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা, আটক-২ শৈলকুপায় দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত বৃদ্ধা তছিরন নেছার মৃত্যু কেন্দুয়ায় ভিজিএফ কর্মসূচির চাল সন্দেহে তিন চালক আটক রামগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ সন্ত্রাসী সায়েম গ্রেফতার




বারহাট্টায় মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটিয়ে যখম

বারহাট্টায় মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটিয়ে যখম




বারহাট্টা প্রতিনিধিঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোন জল্লাদখানা নয়। ছেলে মেয়েদের স্কুল, কলেজ, কিংবা মাদ্রাসায় পাঠানো হয় পড়াশোনার জন্য। আহত হওয়ার জন্য নয়। কিন্তু এমন কিছু শিক্ষক রয়েছে যারা শিক্ষার্থীদের কাছে জল্লাদ । খবরের কাগজে চোখ বোলালে হামেশায় দেখা যায় এমন খবর, শিক্ষক ছাত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে ।

তেমনি এক ঘটনা ঘটেছে নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের রামপুর দশাল আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায়।

অত্র মাদ্রাসার ছাত্র পারভেজ ( বয়স আনুমানিক ১০) কে বেদম পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেন । দাড়িয়ে প্রশ্রাব করাটাই ছিল মাদ্রাসা পড়ুয়া পারভেজের অপরাধ। এই ক্ষুদ্র অপরাধে পারভেজকে দিতে হয়েছে শরীরের রক্ত । বেতের আগাতে কেটে গেছে শরীরের বিভিন্ন অংশ । ঘটনাটি ঘটে ১০/০৫/২০১৯ ইং তারিখে কিন্তু পারভেজ তার পরিবারকে জানাতে পারেনি । জানাতে চাইলে প্রধান শিক্ষক জানাতে দেননি। বাড়িতে চলে যাবার কথা বললে পারভেজকে আটকে রাখে প্রধান শিক্ষক । এক পর্যায় পালিয়ে বাড়িতে চলে যায় পারভেজ । ঘটনার তিনদিন পর পারভেজের মা পারভেজ কে নিয়ে মাদ্রাসায় প্রধান শিক্ষকের কাছে আসে । পারভেজকে পিটিয়ে যখমের পেছনে কারন কি জানতে চাইলে কোন যুক্তিসংগত উত্তর দিতে পারেননি প্রধান শিক্ষক ।

এই নিয়ে অনেক কথা কাটাকাটি হবার পর এক পর্যায়ে ছেলেকে নিয়ে যেতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেন পারভেজের মাকে অনুরোধ করেন যাতে এই সময় পারভেজকে মাদ্রাসা থেকে না নেওয়া হয় এবং বিষয়টি দামাচাপা দেওয়া হয় । অনেক অনুরোধের পরও রাজি হয়নি পারভেজ এবং মারভেজের মা । অশ্রুশিক্ত নয়ন নিয়ে, মাদ্রাসা ছেড়ে চলে যায় পারভেজ ও তার মা।

শুধু পারভেজেই নয় , হাসিমুখে পড়তে আসা অনেকেই, প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেনের হাতে মার খেয়ে  গুরুতর আহত হয়েছে । তাদের কেউ কেউ পালিয়ে চলে গেছে অথবা কারো বাবা মা এসে নিয়ে গেছে ।

মাদ্রাসাটি যদিও এতিমখানা আওয়াতাভুক্ত , প্রতিদিন জাতীয় পতাকা উঠানো নামানো ছাড়া তেমন কোন কার্যক্রম দেখা যায় না । অতীতে অনেক ছাত্রদের, বাবা মা থাকা সত্যেও, প্রধান শিক্ষক এতিম বলে চালিয়ে দিয়েছে অনেক কে । অত্র মাদ্রাসায় এতিমদের জন্য মাদ্রাসার পক্ষ থেকে কোন খাওয়ার ব্যবস্থা এই পর্যন্তই করা হয়নি । এলাকাবাসী এই এতিম ছাত্রদের খাবার দিয়ে আসছে অনেক আগে থেকেই । অনেকে আবার জানেই না সরকারের পক্ষ থেকে এতিমদের জন্য খাবার দেওয়া হয়। তাই প্রধান শিক্ষক দীর্ঘ দিন যাবত এই জালিয়াতি আর হিংস্রতা চালিয়েই আসছেন । এর সঠিক তদন্ত এবং বিচার চেয়েছে পারভেজের মা এবং এলাকাবাসী।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla
error: Content is protected !!