শুক্রবার, ১৯ Jul ২০১৯, ০৮:২৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
কেন্দুয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা তহবিল থেকে প্রাপ্ত চেক বিতরণ করেন -এমপি অসীম কুমার উকিল বারহাট্টায় বন্যার্ত মানুষের পাশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু শৈলকুপায় ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা সরল বিশ্বাসের ভূল,কী বোঝাতে চেয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান! “দুর্নীতি মানে দুর্নীতি” ওবায়দুল কাদের অধ্যক্ষ আবদুল কাদের বাশঁখালীর শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত সিরাজগঞ্জে মাদক বিরোধী কুইজ প্রতিযোগিতা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত কেন্দুয়ায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু জৈন্তাপুরে এপিবিএন’র অভিযানে গাজাসহ আটক ১ সরিষাবাড়ীতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে মেয়রের ত্রান বিতরন কেন্দুয়ায় শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ




ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৬৪ জেলায় কর্মরত ১৭ হাজার কর্মচারীর সম্পদের হিসাব জমা করেছেন। 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৬৪ জেলায় কর্মরত ১৭ হাজার কর্মচারীর সম্পদের হিসাব জমা করেছেন। 




নিজস্ব প্রতিবেদক।।

ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন পাঁচটি দফতর এবং ৬৪ জেলায় কর্মরত ১৭ হাজার ২০৮ জন কর্মচারী তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করেছেন। ৩৬৮ জন কর্মচারী বিভাগীয় মামলায় সাময়িক বরখাস্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি ছুটিতে থাকার কারণে সম্পদের বিবরণী দাখিল করতে পারেননি। বৃহস্পতিবার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী মন্ত্রণালয়ে জমা দেন বলে ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

গত ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছিলেন, দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা প্রদানে মন্ত্রণালয়ের অধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পদের হিসাব নেওয়া হবে। এটি দুর্নীতি বন্ধের একটি অন্যতম কৌশল বলেও জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এত দ্রুত সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব গ্রহণ তার একটি বড় প্রমাণ। সম্পদ বিবরণী দাখিলের ফলে অনিয়ম-দুর্নীতি করতে সবাই নিরুৎসাহিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ভূমিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এখন হতে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের কর্মসূচি চলমান থাকবে। নিয়মিত মনিটরিং করার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ভূমি অফিস দুর্নীতিমুক্ত করা সম্ভব হবে। মন্ত্রী বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়কে আমি যে কোনো মূল্যে দুর্নীতিমুক্ত করব। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে আমি এই মন্ত্রণালয়কে শীর্ষ ৫ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে নিয়ে আসব। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নসহ দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করা হবে। প্রসঙ্গত, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব গ্রহণের কার্যক্রম ছিল ভূমিমন্ত্রীর প্রথম ৯০ দিনের নয়টি কার্যক্রমের অন্যতম।

বাকি আটটি কাজ হলো- জরুরি সেবা প্রদানের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে হটলাইন স্থাপন, ভূমি সেবা সপ্তাহ পালন এবং ভূমি কর মেলা উদযাপন, ‘অনলাইনে খতিয়ান’ সেবা চালুকরণ, ই-নামজারি কার্যক্রম পুরোদমে চালু, সেবা-দাতাদের দক্ষ করতে ওয়ার্কশপ আয়োজন, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অবহিতকরণ কার্যক্রম, ভূমি অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মসূচি, অন্যান্য ভূমিসেবা ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা। এর মধ্যে ২৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী অনলাইন খতিয়ান অবমুক্তকরণ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা জেলায় শতভাগ ই-নামজারি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla
error: Content is protected !!