রবিবার, ২১ Jul ২০১৯, ০১:১০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
কেন্দুয়ায় বিদ্যুৎস্পর্শে এক ব্যক্তির মৃত্যু মদনে নৌকা থেকে পড়ে গিয়ে সবজি বিক্রেতার মৃত্যু জামালগঞ্জে বজ্রপাতে নিহত দুই পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান সুনামগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে পুড়ানো হলো তিনটি ড্রেজার মেশিন জামালগঞ্জে জন্মনিবন্ধন জালিয়াতি ও অশ্লীল ভিডিও রাখার দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা সৈয়দপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে ৩ জনের বিনাশ্রম কারাদন্ড শহিদুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ ২য় বার ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ নির্বাচিত নীলফামারীতে যুব মহিলা লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাজারহাটে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ আটক- ২ নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে একটি মৎস্য গবেষনা ইনষ্টিটিউট গড়ে তোলা হবে- মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু




ময়মনসিংহে আবাসিক খান ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে রমরমা দেহ ব্যবসা

ময়মনসিংহে আবাসিক খান ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে রমরমা দেহ ব্যবসা




বিশেষ প্রতিনিধি,ময়মনসিংহ।।

ময়মনসিংহের অধিকাংশ আবাসিক হোটেলে দিনে-রাতে অবাধে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় হোটেল খান ইন্টারন্যাশনালে নারী দেহের পসরা সাজিয়ে অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী হোটেল ম্যানেজার ও হোটেল বয়েরা। স্থানীয় প্রশাসন ও কতিপয় রাজনৈতিক নেতাদের নজরানা দিয়েই নাকি এ ব্যবসা চালাচ্ছে ।
জানা যায়, ময়মনসিংহের চরপাড়া, ছোটবাজার, স্বদেশী বাজার ট্রাংপট্রী এলাকায় অসংখ্য আবাসিক হোটেলে চলছে দেহ ব্যবসা।বর্তমানে এ ব্যবসা মহাআকার ধারণ করেছে। আর এসব চলছে প্রশাসনের সামনেই।

গ্রামের সহজ সরল অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক মেয়েদের দেহ ব্যবসায় বাধ্য করানোর অভিযোগও মিলছে হরহামেশাই। আবার কেউ কেউ নিজের ইচ্ছায় বেঁছে নিয়েছেন এই পেশা। সাংবাদিকদের সামনে কথা বলতে রাজি নয় এসব হোটেল ম্যানেজার।এই দেহ ব্যবসায় জড়িয়ে পরা অসহায় নারীরা জানালেন তাদের জীবণের করুণ কাহিনী। এদের অনেকেই অভাবের তাড়নায় এসেছেন এই পেশায়। কোন কোন হোটেলের ম্যানেজার পেশাদার পতিতাদের সকালে হোটেলে উঠিয়ে রাখে। তার মধ্যে ট্রাংপট্রির হোটেল খান ইন্টারন্যাশনাল অন্যতম। আবার অনেকে নিজের অজান্তেই জড়িয়ে পড়েছেন এসব অসামাজিক কাজে।
বিভিন্ন সুত্র জানায়,ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ৩০/৩২ টির মতো আবাসিক হোটেল আছে। প্রশাসনের চোখের সামনেই চলছে এ ব্যবসা। স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রী ও যুবকরা নিরাপদে এসব হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ করে হরহামেসাই। এসকল হোটেলে তাদের নিজস্ব দালাল রয়েছে । যৌন কর্মীর এক দালাল জানান,এসব হোটেল থেকে প্রতিমাসে পুলিশ পাচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।শুধু থানা পুলিশ না আরও কথিত নেতারাও সাপ্তাহিক, মাসিক চাঁদা নেয় বলে তিনি জানান।এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি তদন্তের এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে সে ফোন রিসিভ করেনি। পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আবাসিক হোটেল মালিকরা মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে থাকেন যার কারণে তারা রমরমা ভাবে এ ব্যবসা করে যাচ্ছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ প্রশাসনের সামনেই এইসব চললেও প্রশাসন কিছু করছে না। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো দু’একটি অভিযান চালায় চর পাড়া এলাকায় । হোটেলেই সামারী করে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ । উচ্ছেদ করার জন্য মুলত অভিযান চালায় না বলে সাথানীয়রা জানান।
লাকী (ছদ্মনাম) এক যৌনকর্মী জানায়, আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার ও বয়-বেয়ারারা এক জন খদ্দেরের কাজ থেকে যে টাকা নেয় তার ৫০ ভাগ তাদের দেয়। বাকি টাকা হোটেল রুম ভাড়া ও তারা ভাগ করে নেয়। অনেক পেশাদার যৌনকর্মী অবশ্য নিজেরাই কার্ড বিলি করে। এসব কার্ডে সাধারণত মধ্যস্থতাকারীর মোবাইল নম্বর থাকে। পার্ক এলাকায় তাদের তৎপরতা বেশি। অনেক খদ্দের জানায়, হোটেল খান ইন্টারন্যাশনালে ৮ শত টাকা দিয়ে একজনের কাছে গেছি। সে যৌন কর্মী বকশিস ছাড়া তার গায়ে হাত দিতে দেয় না । ময়মনএ ব্যবসা আসলে মানুষকে লুটেপুটে খাওয়ার ব্যবস্থা ছাড়া আর কিছুই না । দেখা যায়, ময়মনসিংহের হোটেল খান ইন্টারন্যাশনালে আবাসিক হোটেলের সামনে প্রতিদিন অবস্থান করে বয় ও দালাল চক্র। টার্গেট করা পথচারীকে তারা ডাকে মামা বলে। কাছে এলেই ধরিযয়ে দেয়া ভিজিটিং কার্ড।এক হোটেল বয় নাম না বলা শর্তে বলেন, এক জন খদ্দের যোগার করে দিলে আমাদের কে ২০ টাকা দেয় হোটেল কর্মচারী হিসাবে তো মাসিক বেতন আছেই।এছাড়া একজন খদ্দেরকে ভিতরে নিয়ে আসা আবার নিরাপদে তাদের রাস্তায় পৌঁছে দেওয়া ও তাদের দায়িত্ব। একারনে যুবসামাজও বিপথগামী হচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla
error: Content is protected !!