শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
জেঠা কর্তৃক মার্কেট দখলের চক্রান্ত: বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় শঙ্কিত ওয়ারিশরা ঢাকা-রাজশাহী রুটে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নালিতাবাড়ী উপজেলায় জমির বিরোধে চেয়ারম্যানের গুলিতে কৃষক নিহত, আটক-৫।  ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করার প্রতিবাদে কলমাকান্দায় মানববন্ধন সৈয়দপুরে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গ্রাম আদালতের বার্তা মাঠ-পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে- শওকত ওসমান, উপ-পরিচালক।  নড়াইল ট্রাফিকের প্রাক্তন সার্জেন্ট রফিকুল রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় ২০বছর পর কারাগারে! বাবার সহকর্মীদের চোর বলতে বাধলো না শমী কায়সারের!  দুর্গাপুরে যুবতী নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, হুমকীতে বিপাকে বাদীর পরিবার।  প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের কর্মচারীসহ শৈলকুপার ৩জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা




রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর স্থাপনের জন্য শুরু হয়েছে পদ্মায় খনন কাজ। 

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর স্থাপনের জন্য শুরু হয়েছে পদ্মায় খনন কাজ। 




অনলাইন ডেক্স।। 

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর স্থাপনের জন্য শুরু হয়েছে পদ্মায় খনন কাজ। 

ভারতের সঙ্গে নৌপথে বাণিজ্য বাড়াতে রাজশাহীতে হবে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর। নৌবন্দর স্থাপনের জন্য একটি গভীর চ্যানেল তৈরি করতে শিগগিরই পদ্মা নদী খনন করে নাব্যতা ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে এই কাজ বাস্তবায়ন করবে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে। শিগগিরই ভারতের একটি প্রতিনিধি দল এলাকা পরিদর্শেনে আসবেন রাজশাহীতে। তবে এর আগেই সরকারি উদ্যোগে পদ্মাপাড়ের ৬ কিলোমিটার জুড়ে শুরু হয়েছে খনন কাজ।

এ ব্যাপারে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সোনাইকান্দি থেকে পাঠানপাড়া পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার এলাকা খনন করা হবে। এতে পদ্মার বুক থেকে উঠবে ২৬ লাখ ঘন মিটার মাটি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে একটি আন্তর্জাতিক নৌবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এজন্য এই খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ক্যাপিটাল ড্রেজিং করে নদীর নাব্যতা ৮ থেকে ১০ মাস ধরে রাখার চেষ্টা করা হবে। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ড্রেজার অপারেশন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এম. গোলাম সরওয়ার বলেন, ‘মধ্য জুন পর্যন্ত তারা রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে ড্রেজিং করবে। এর মধ্যে যতটুকু খনন করার কথা তা সম্পন্ন করা না গেলে পরের শুকনো মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তান আমলেও রাজশাহীতে নৌবন্দর ছিল। ভারতসহ দেশের বড় বড় জাহাজ মালামাল নিয়ে রাজশাহীতে আসতো। জাহাজে করেই ঢাকায় যেতো রাজশাহীর মিষ্টি আম। তবে ফারাক্কার বাঁধের পর মরা পদ্মায় এখন বর্ষার তিন মাস ছাড়া সারাবছর বালুচর জেগে থাকে। এ বালু সরিয়ে আবারো সেখানে নৌবন্দর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্রঃইত্তেফাক


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla