শুক্রবার, ১৯ Jul ২০১৯, ০৮:২৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
কেন্দুয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা তহবিল থেকে প্রাপ্ত চেক বিতরণ করেন -এমপি অসীম কুমার উকিল বারহাট্টায় বন্যার্ত মানুষের পাশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু শৈলকুপায় ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা সরল বিশ্বাসের ভূল,কী বোঝাতে চেয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান! “দুর্নীতি মানে দুর্নীতি” ওবায়দুল কাদের অধ্যক্ষ আবদুল কাদের বাশঁখালীর শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত সিরাজগঞ্জে মাদক বিরোধী কুইজ প্রতিযোগিতা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত কেন্দুয়ায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু জৈন্তাপুরে এপিবিএন’র অভিযানে গাজাসহ আটক ১ সরিষাবাড়ীতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে মেয়রের ত্রান বিতরন কেন্দুয়ায় শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ




রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর স্থাপনের জন্য শুরু হয়েছে পদ্মায় খনন কাজ। 

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর স্থাপনের জন্য শুরু হয়েছে পদ্মায় খনন কাজ। 




অনলাইন ডেক্স।। 

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর স্থাপনের জন্য শুরু হয়েছে পদ্মায় খনন কাজ। 

ভারতের সঙ্গে নৌপথে বাণিজ্য বাড়াতে রাজশাহীতে হবে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর। নৌবন্দর স্থাপনের জন্য একটি গভীর চ্যানেল তৈরি করতে শিগগিরই পদ্মা নদী খনন করে নাব্যতা ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে এই কাজ বাস্তবায়ন করবে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে। শিগগিরই ভারতের একটি প্রতিনিধি দল এলাকা পরিদর্শেনে আসবেন রাজশাহীতে। তবে এর আগেই সরকারি উদ্যোগে পদ্মাপাড়ের ৬ কিলোমিটার জুড়ে শুরু হয়েছে খনন কাজ।

এ ব্যাপারে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সোনাইকান্দি থেকে পাঠানপাড়া পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার এলাকা খনন করা হবে। এতে পদ্মার বুক থেকে উঠবে ২৬ লাখ ঘন মিটার মাটি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে একটি আন্তর্জাতিক নৌবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এজন্য এই খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ক্যাপিটাল ড্রেজিং করে নদীর নাব্যতা ৮ থেকে ১০ মাস ধরে রাখার চেষ্টা করা হবে। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ড্রেজার অপারেশন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এম. গোলাম সরওয়ার বলেন, ‘মধ্য জুন পর্যন্ত তারা রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে ড্রেজিং করবে। এর মধ্যে যতটুকু খনন করার কথা তা সম্পন্ন করা না গেলে পরের শুকনো মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তান আমলেও রাজশাহীতে নৌবন্দর ছিল। ভারতসহ দেশের বড় বড় জাহাজ মালামাল নিয়ে রাজশাহীতে আসতো। জাহাজে করেই ঢাকায় যেতো রাজশাহীর মিষ্টি আম। তবে ফারাক্কার বাঁধের পর মরা পদ্মায় এখন বর্ষার তিন মাস ছাড়া সারাবছর বালুচর জেগে থাকে। এ বালু সরিয়ে আবারো সেখানে নৌবন্দর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্রঃইত্তেফাক


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla
error: Content is protected !!