বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজঃ
লেখা ও বিজ্ঞাপন আহব্বান, দুর্জয় বাংলা পত্রিকার আয়োজনে "ঈদ সংখ্যা" প্রকাশিত হবে।
সংবাদ শিরোনামঃ
আগৈলঝাড়ায় উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের উদ্যোগে দোয়া মোনাজাত ও ইফতার মাহফিল সৌদি প্রবাসী আহমদ আলীর বিভিন্ন আয়োজনে ইফতার মাহফিল মাহফিল সম্পন্ন আগৈলঝাড়ায় অনাথ শিশু ও বৃদ্ধাশ্রমের আশ্রিতদের জন্য নতুন পোষাক নিয়ে হাজির বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সিলেটে র‌্যাবের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ:আটক ২২ বকশীগঞ্জে ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠিত মধুপুর উপজেলায় শতবর্ষী বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগে বখাটে সোহেল গ্রেপ্তার। ময়মনসিংহ ডিবি’র পৃথক অভিযানে ১৬৫ পিস ইয়াবা ও ৫৫ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেফতার ৮।  পূর্বধলায় এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নেত্রকোণায় ভোগাই-কংস নদীর ১৫৫ কিলোমিটার খনন কাজের উদ্বোধন টঙ্গীবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার যুবলীগ কর্মী বাবু হাওলাদার




বারহাট্টাকে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা- ফরিদা ইয়াসমিন

বারহাট্টাকে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা- ফরিদা ইয়াসমিন




সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি: নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলায় বাল্যবিবাহের আয়োজন চলছিল, খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন বাল্যবিবাহ বাধা দেয়।তা অপেক্ষা করে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটার দিকে বিয়ে সম্পন্ন করতে আয়োজন করে ছিল উভয় পরিবার।কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাল্যবিবাহটি সম্পন্ন হল না ইউএনও ফরিদা ইয়াসমিনের হস্তক্ষেপে। স্হানীয় বাসিন্দা পুলিশ ও ইউএনও সূত্রে জানা যায়,ছেলে মেয়ে দুই জনেই অপ্রাপ্তবয়স্ক। ছেলের বয়স ১৫ বছর পেশায় রংমিস্ত্রি।মেয়ে সুরমা (১৪) মনাষ উজানগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৭ সালে (জেএসসি) পরীক্ষা দিয়েছিল।গতকাল সন্ধ্যায় দুই পরিবার তাদের বিয়ের আয়োজন করে,বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়। কিন্তু ছেলে ও মেয়ের পরিবার বাধা অপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটার দিকে গোপনে বিয়ে সম্পন্ন করতে চেয়েছিল উভয় পরিবার।বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ বদরুল আলম খান পুলিশ নিয়ে বিয়ে বাড়িতে হাজির হন। তিনি বিয়ে বন্ধ করতে উভয় পরিবারকে অনুরোধ করেন।কিন্তু মেয়েটি ও তার পরিবারের লোকজন এই বিয়ে বন্ধ করতে চাননি। পরে ইউএনও ফরিদা ইয়াসমিন রাত দুইটার দিকে ঘটনাস্হলে পৌঁছে মেয়েটি সহ উভয় পরিবারকে প্রায় দুই ঘন্টা ধরে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে বুঝিয়ে এই বিয়ে বন্ধ করেন।একই সঙ্গে ছেলে ও মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না এই মর্মে মুচলেকা নেওয়া হয় উভয় পরিবার থেকে। বারহাট্টা উপজেলে নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, রাত একটার দিকে বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ বদরুল আলম আমাকে ফোন করে বিয়ের ব্যাপারে জানান যে মেয়ে ও তার পরিবার একরোখা করছে তারা কারো কথা শুনছে না।তারা বিয়ে বন্ধ করতে চাইছে না।পরে আমি ঘটনাস্হলে পৌঁছে পুলিশের সহায়তায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জনপ্রতিনিধি ও মেয়েটি যে স্কুলে পড়তো সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে নিয়ে দুই ঘন্টা ধরে বুঝিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি।মেয়েটির পরিবার হতদরিদ্র, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার পড়াশুনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করা হবে। ইউএনও ফরিদা ইয়াসমিন বারহাট্টা উপজেলায় যোগদানের পর বারহাট্টা উপজেলার চেহারাই পাল্টিয়ে দিয়েছেন।এখন পর্যন্ত ৫২ টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করে তিনি রেকর্ড করেছেন।ইতি মধ্যে তিনি জেলার শিরমনি হয়ে গেছেন সবার মুখে মুখে শুনি একই ধনি ফরিদা ইয়াসমিনের জয়ের ধনি। তিনি যেন দেবদূত হয়ে এসেছেন বারহাট্টার জনগনের পাশে শুধু বাল্যবিবাহ নয় তিনি তার প্রতি কাজে সুন্দর ও শিখনীয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি তার অফিসিয়াল কাজের বাহিরে গিয়ে ও সময় সময় এই উপজেলার প্রত্যেক মানুষের খবর নেন। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দারুন ভূমিকা পালন করে চলেছেন।প্রতিটি হাট বাজার পরিদর্শন করে দেখছেন খাদ্যে কোন ভেজাল আছে কি না । তিনি বারহাট্টা উপজেলায় বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা করেছেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *













©২০১৩-২০১৯ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
Desing & Developed BY DurjoyBangla
error: Content is protected !!