13.7 C
New York
Saturday, July 31, 2021

আগৈলঝাড়ায় বুলবুলের তান্ডবের পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজ খবর নিলেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস

বিজ্ঞাপন

স্বপন দাস, বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো চীপঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তান্ডবে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। রবিবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তান্ডবের পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজ খবর নিলেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস।

বিজ্ঞাপন



সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তান্ডবে গাছচাপা পরে উপজেলার প্রায় ৪ শতাধিক ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ১৫ থেকে ২০ হাজার গাছপালা। ঝড়ের সময় গাছ চাপা পরে উপজেলা জোবার পাড় গ্রামের হীরা লাল বৈরাগী’র ৩টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার বাকাল নিরাঞ্জন বৈরাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পুরোপুরি বিধ্বস্ত সহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জমিতে রোপা আমন ধান ও বিভিন্ন ফসল ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তান্ডবে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন



উপজেলার নিন্মাঞ্চল ৩/৪ ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। এখনও উপজেলার বেশ কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছে বহু লোকজন। তাদের মাঝে সরকারিভাবে দেয়া শুকনা খাবার বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে আগৈলঝাড়া প্রশাসন, থানা পুলিশ সদস্য, স্থানীয় সেচ্ছাসেবকবৃন্দ রাস্তার-ঘাটে পড়ে থাকা গাছ অপসারণ করে যোগাযোগ ব্যাবস্থা সচল করা হয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার কারণে এলাকায় বিদ্যুতের লাইন ছিড়ে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ।

বিজ্ঞাপন



রবিবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড়ের পরপরই বরিশাল এডিসি জেনারেল তৌহিদুজ্জামান পাভেল, আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফাতিমা আজরীন তন্বী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহসান হাবিব, বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক সহয়তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।



আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তান্ডবে উপজেলার প্রায় ৪ শতাধিক ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বসত ঘরের পাশাপাশি উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের বাকাল নিরাঞ্জন বৈরাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। অধিকাংশ মাছের ঘের ও ধানের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রবল বাতাসে অধিকাংশ পানের বরজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে কিছু এলাকায় সড়ক বিচ্ছিন্ন থাকলেও তাৎক্ষণিকভাবে সকলের সহযোগীতায় গাছ সরিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।



এছারাও সড়কের পাশে থাকা গাছ উপড়ে পরে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, রবিবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড়ের পরপরই আমারা সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে উপজেলার প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সাথে কথা বলেছি। তাদের মাঝে শুকনা খাবারসহ শিশু খাদ্য বিতরণ করেছি। এছারাও উপজেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলো আশ্রয় নেয়া লোকজনের মাঝে সরকারিভাবে দেয়া শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান নির্নয়ের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা প্রস্তুতের পর তা উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

Please enter your comment!
Please enter your name here

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ সংবাদ

x