1. durjoybangla24@gmail.com : durjoy bangla : durjoy bangla
  2. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Afjal Sharif : Afjal Sharif
  3. aponsordar122@gmail.com : Apon Sordar : Apon Sordar
  4. awal.thakurgaon2020@gmail.com : abdul awal : abdul awal
  5. sheblikhan56@gmail.com : Shebli Shadik Khan : Shebli Shadik Khan
  6. jahangirfa@yahoo.om : Jahangir Alam : Jahangir Alam
  7. mitudailybijoy2017@gmail.com : শারমীন সুলতানা মিতু : শারমীন সুলতানা মিতু
  8. nasimsarder84@gmail.com : Nasim Ahmed Riyad : Nasim Ahmed Riyad
  9. netfa1999@gmail.com : faruk ahemed : faruk ahemed
  10. mdsayedhossain5@gmail.com : Md Sayed Hossain : Md Sayed Hossain
  11. absrone702@gmail.com : abs rone : abs rone
  12. sumonpatwary2050@gmail.com : saiful : Saiful Islan
  13. animashd20@gmail.com : Animas Das : Animas Das
  14. Shorifsalehinbd24@gmail.com : Shorif salehin : Shorif salehin
  15. sbskendua@gmail.com : Samorendra Bishow Sorma : Samorendra Bishow Sorma
  16. swapan.das656@gmail.com : Swapan Des : Swapan Des
আড়িয়লবিলের শাপলায় স্বাবলম্বী কয়েক’শ পরিবার - durjoy bangla | দুর্জয় বাংলা
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০, ১১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ




আড়িয়লবিলের শাপলায় স্বাবলম্বী কয়েক’শ পরিবার

মো: মুজাহিদ খাঁন, শ্রীনগর (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
  • ১১৯ বার পঠিত

আমাদের দেশে নানা প্রজাতির ফুল রয়েছে। তার মধ্যে শাপলা ফুল অন্যতম। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান এই শাপলা ফুল। পুকুর, দিঘি, খালবিল, ডোবা প্রভৃতি জলাশয়ে সাদা পাপড়ি বিছানা মেলে বিকশিত হয় এই পুষ্প। শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল। প্রাকৃতিক নিয়মে এর জন্ম এবং বৃদ্ধি ঘটে। বর্ষার মাঝামাঝি থেকে শুরু করে শরৎকাল শেষ হওয়া পর্যন্ত এখানকার বিলে প্রচুর শাপলা ফুল পাওয়া যায়। এ ফুলের কান্ড ও মূল থাকে পানির তলায় আর পাতা ও ফুল পানির ওপরে ভেসে থাকে। শাপলা ফুল বাঙালী জাতির জাতীয় প্রতিকের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম মাধ্যম। এছাড়াও শাপলা এখন মানুষের খাদ্য হিসেবে সবজির চাহিদা পুরণ করছে। অন্যদিকে বর্ষার মৌসুমে শাপলা কুড়িয়ে চলে অনেকের সংসার। এমনি দেখা গেছে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বিখ্যাত আড়িয়লবিলসহ বিভিন্ন চক/বিল থেকে শাপলা কুড়িয়ে ভালই আয় রোজগার করতে পারছেন এখানকার দিনমজুররা। শাপলা এখন মানুষের কাছে জনপ্রিয় খাদ্য হয়ে উঠায় এর চাহিদা রয়েছে সর্বখানে। পাইকাররাও অল্প পূজিতে শাপলা ব্যবসায় আর্থিকভাবে অধিক লাভবান হচ্ছেন।
লক্ষ্য করা গেছে, শ্রীনগর উপজেলার বিশাল আড়িয়লবিল ও বিভিন্ন খাল বিলে অথৈ পানি। মনমুগ্ধকর সকালে বিলের দিকে তাকালে দেখা যায় শুধু সাদা আর সাদা কাছাকাছি গেলে দেখা যায় সারি সারি শাপলা ফুলগুলো যেন পেখম তুলে জলের সাথে খেলা করছে। মৎস্য ও শষ্য ভান্ডার খ্যাত বিখ্যাত আড়িয়লবিল এখন শাপলায় ভরপুর। শাপলা ফুল দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি সবজি হিসেবে এর জুরি নেই। ভরবর্ষার মৌসুমে এলাকায় দিনমজুরের কাজ তেমন না থাকায় ও করোনার প্রভাবে এলাকার নি¤œআয়ের অনেকেই শাপলা কুড়িয়ে বিক্রি করে আয়ের পথ বেছে নিয়েছেন। এই আয়েই তাদের সংসার চলছে। বিলপাড়ের কয়েক’শ পরিবার শাপলা কুড়িয়ে ভালই আয় করতে পারছেন বলে জানা যায়। আর্থিকভাবেও তারা সাময়িক স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
আড়িয়লবিল ছাড়াও উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ছোট বড় সব চকেই এখন শাপলা দেখতে পাওয়া যায়। তবে এবার বিলগুলোতে হঠাৎ করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শাপলার পরিমান কিছুটা কম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কারণ হিসেবে স্থানীয়রা মনে করছেন পানির সাথে পাল্লা দিয়ে শাপলা সাঁতার কেটে পেরে উঠতে পারছেনা। পানি কমার পরে হয়ত শাপলার বৃদ্ধি অনেকাংশে বাড়বে।
শ্যামসিদ্ধির গাদিঘাট আড়িয়লবিল পাড় এলাকার তামিজ আলী (৭০), মিজানুর (৩২), মহাসিন (৪৫) ও অহিদ হাওলাদার (২৬) বলেন, করোনা রোধে ও ভরবর্ষায় এলাকায় কাজ না থাকায় শাপলা কুঁড়িয়ে তাদের সংসার চলছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিলে ছোট কোষা নৌকায় করে শাপলা কুড়িয়ে দৈনিক ৫০০/৬০০ টাকা আয় হচ্ছে। কুড়ানো শাপলাগুলো আঁটি হিসেবে পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন তারা।
এ সময় আব্দুল মমিন ও আনোয়ার হোসেন নামে শাপলার পাইকার বলেন, প্রতিদিন বিকালে ছোট পিকআপে করে শাপলাগুলো ঢাকার শ্যাম বাজার, কাওরান বাজার, যাত্রা বাড়িসহ বিভিন্ন হাট বাজারে পাইকারীভাবে বিক্রি করেন তারা। পরে ৫টি করে শাপলা একেকটি তাঁরা/আঁটি তৈরী করেন খুচরা বিক্রেতারা। প্রতি তাঁরা/আটি শাপলার দাম ১০/১২ টাকায় বিক্রি করা হয়। মাননুষের কাছে চাহিদা থাকায় হাটে বাজারে এখন শাপলা প্রচুর বিক্রি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুনঃ
নিউজটি সেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল!
এই জাতীয় আরো সংবাদ
durjoybangla.conlm_৮ বছরে







©২০১৩-২০২০ সর্বস্তত্ব সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা

কারিগরি সহযোগিতায় দুর্জয় বাংলা