কেন্দুয়ার ধর্ষিতা শিশু ছাত্রীটি এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে বাড়ী ছেড়ে পালিয়েছে ধর্ষকের পরিবার

0
1307

কেন্দুয়া ( নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় কওমী মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থী (১১) মাদরাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সুপার কর্তৃক ধর্ষনের শিকার হয়ে অন্ত:স্বত্তা হয়। সুপার কর্তৃক ঔষধ সেবনে ৩/৪ মাসের গর্ভ নষ্ঠ হওয়ায় অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনে শিশু ছাত্রীটি এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে বলে জানা যায়।




এ ঘটনায় ধর্ষক ২ সন্তানের জনক আঃ হালিম সাগর (৩৫)সহ পরিবারের সবাই বাড়ী ছেড়ে পালিয়েছে বলে পুলিশ জানান। পুলিশসহ একাধিক সূত্রে জানা গেছে, উক্ত জেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের চরআমতলা কোনাবাড়ী গ্রামের ফারুখ মিয়ার ছেলে আঃ হালিম সাগর কয়েক বছর আগে রোয়াইলবাড়ী বাজার সংলগ্ন একটি কওমী মহিলা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে সুপারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। কয়েক মাস পূর্বে তার মাদ্রাসার (নিলাম্বরখিলা গাড়াদিয়া গ্রামের) মা হারা ওই ছাত্রীকে সুপার ধর্ষন করে।ফলে শিশুটি ৩/৪ মাসের অন্ত:স্বত্তা হয়ে পড়ে।




পেমই তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুজন ব্যানার্জী জানান, কওমী মাদ্রাসাটির সুপার আব্দুল হালিম (৩৫) তার মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীটিকে ধর্ষন করে বলে জানা গেছে। যার ফলে মেয়েটি ৩/৪ মাসের অন্ত:স্বত্তা হয়ে পড়ে।পেটের বাচ্চাটিকে নষ্ঠ করতে বৃহস্পতিবার রাতে ওই সুপার ঔষধ এনে খাওয়ায়। মৃত বাচ্চা প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরনে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে শুনেছি।




শনিবার রাতে ধর্ষকের বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। এমনকি শিশু মেয়েটির বাবাকেও পাওয়া যায়নি। রোববার কেন্দুয়া থানার ওসি রাশেদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গতরাতেও পুলিশ ধর্ষককে ধরার চেষ্টা করেছে। বাড়ী ছেড়ে সবাই পালিয়ে গেছে। পুলিশ ফোর্স নিয়ে আমি এলাকায় তদন্তে রয়েছি। পরে আরো বিস্তারিত জানানো যাবে।

আরও পড়ুন>> ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা জানিয়েছেন- শিক্ষা মন্ত্রণালয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here