13.7 C
New York
শনিবার, মে ৮, ২০২১

কেন্দুয়া বাজারের পুরনো সরকারি পুকুর কৌশলে ময়লা আবর্জনা ফেলেই ভরাট ও দখল করা হচ্ছে

বিজ্ঞাপন

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বিজ্ঞাপন

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা সদর বাজারের সরকারি পুরনো পুকুরটিতে কৌশলে ময়লা আবর্জনা ফেলে দিন দিনই ভরাট ও দখল করে নেয়া হচ্ছে। সঠিক রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে পাল্টে গেছে পুকুরটির চেহারা।
উপজেলা সদরের পৌর এলাকার দিগদাইর মৌজায় ১ নং খতিয়ানে নতুন ১৯৩ দাগে অবস্থিত ৫০ শতাংশ এই পুরনো পুকুরটিতে এক সময় আশেপাশের বাসাবাড়ির লোকজন টলটলে পানি গোসলের কাজ সহ রান্নাবান্নার কাজেও ব্যবহার করতেন। কিন্তু বর্তমানে পুকুরের পানি ব্যবহার করাতো দূরের কথা, পুকুরের পাশ দিয়ে ময়লা আবর্জনার দূর্গন্ধের কারণে নাক বন্ধ করেও হেটে যাওয়া যায় না।



বিজ্ঞাপন

সঠিক দেখবাল না করার কারণেই এমনটি হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ সুযোগে এক শ্রেনীর অসাধু লোকেরা পুকুরের পারে ময়লা আবর্জনা ফেলে কৌশলে ভরাট ও দখল করে নিচ্ছেন। এর ফলে দিন দিনই পুকুরের আয়তন কমে আসছে। পুকুরের তিনটি পারেই গড়ে উঠছে অস্থায়ী দোকানপাঠ। তাছাড়া পুকুরের পানিতে কুচুরিপানা ও বিভিন্ন লতাগুল্ম বেড়ে গিয়ে পুকুরের চেহারাই পাল্টে গেছে। পাড় থেকে দেখা যায়না পুকুরের পানি। ময়লা আবর্জনার স্তুপ ও জবাই করা হাঁস মুরগি ও বিভিন্ন পশুপ্রানীর হাড়গুড় ও বিষ্ঠা দূর্গন্ধ ছড়িয়ে দিন দিনই পরিবেশ দূষিত করছে। যে কারণে পুকুরটি ইজারার নোটিশ দিলেও ইজারা নিতেও কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এতে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে। আর জনগন বঞ্চিত হচ্ছে পুকুরের পানি ব্যবহার থেকে। কেন্দুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) মোঃ খবিরুল আহসান জানান, সরকারি এই পুকুরটি ইজারার জন্যে নোটিশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পুকুরটির ইজারা নিতে কেউই আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। তিনি বলেন, পুকুরটিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করে জেলা প্রশাসনের নিকট প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।



বিজ্ঞাপন

এই প্রকল্পের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এলেই পুকুরটির ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে ইজারা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তখন জনগনও পুকুরটি পানি ব্যবহার করতে পারবেন। কেন্দুয়া বাজার কমিটির সভাপতি ও পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ এনামুল হক ভ‚ঞা বলেন, এই পুকুরটি বর্তমানে যে অবস্থায় আছে তাতে পুকুরের পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ময়লা আবর্জনার ফলে দিন দিনই পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। তিনি জনগণের চাহিদার কথা তুলে ধরে বলেন, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই পুকুরটি ভড়াট করে কাঁচা বাজার স্থানান্তর করা হলে এক দিকে করোনাকালীন সময়ে বাজারের পরিবেশ সুন্দর হবে, অপর দিকে সরকারও মোটা অংকের রাজস্ব আয় করতে পারবে। এটাই হবে জনগনের প্রকৃত উপকার।

আরো পড়ুন>>দুওজ ইউনিয়নের সর্ব জনসাধারণের আলোচনার শীর্ষে বিশিষ্ট সমাজসেবক মো: কাইয়ুম খান

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

Please enter your comment!
Please enter your name here

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ সংবাদ

x