13.7 C
New York
সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১

চিকিৎসকের অবহেলায় করোনা রোগীর মৃত্যেুর অভিযোগ

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

বিজ্ঞাপন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিউটিরত ডাক্তার মো. মাজেদুর রহমান সরকারী ডিউটি বাদ দিয়ে প্রাইভেট প্রেকটিসে সময় পাড় করে করোনায় আক্রান্ত রোগী আবু নাছের আরজুর কোন প্রকার খোঁজ খবর না নেয়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় করোনা রোগী আরজুর মৃত্যেুর অভিযোগ উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে পরিদর্শন , নিহতের পরিবার ও ঝিনাইগাতী হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঝিনাইগাতী উপজেলার তামাগাঁও নিবাসী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশার দ্বিতীয় ছেলে আবু নাছের আরজুর দেহে গত ২৬ জুলাই করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে।

অতঃপর গত ২৭ জুলাই ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলশন ইউনিটে আরজুকে ভর্তি করা হয়। গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত রোগীর অবস্থা স্বাভাবিক ছিল। কিন্ত গত ১আগষ্ট রবিবার দিনব্যাপী রোস্টার ডিউটি মতে দ্বায়িত্বে ছিলেন ২৪ ঘন্টা ডা: মাজেদুর রহমান ও নার্স তানজিলা আক্তার । তারা উভয়ে সরকারি ডিউটিতে থাকলেও ডা: মাজেদুর রহমান প্রাইভেট চিকিৎসার জন্য বহিরাগত ডাযোগ্যানেস্টিক সেন্টারে এবং নার্স তানজিলা তার নিজ রুমে সময় কাটালেও সকাল থেকে দুপুর ১ টা ৪৫ ঘটিকা পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যে করোনা ইউনিটে রোগীদের কোনরুপ খোঁজ খবর তারা নেননি।

বিজ্ঞাপন

ইতিমধ্যে করোনা রোগী আরজুর অবস্থা খারাপ হলে আরজুর বড় ভাই আরিফের ফোন পেয়ে ডা: মাজেদুর রহমান করোনা ইউনিটে যান এবং রোগী আরজুর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে সু কৌশল করে চিকিৎসার নামে আরিফের কাছে একটি ভন্ডসই নেন দুপুর ২ ঘটিকার সময়। ওই ভন্ড সই নেয়ার পর বিকাল ৪.৩০ ঘটিকার সময় করোনায় আক্রান্ত রোগী আরজুর মৃত্যেু হয়।এ বিষয়ে নিহতের বাবা সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা তার ব্যক্তিগত ফেইস বুক টাইম লাইনে কর্তব্যরত ডাক্তারের অবহেলায় তার ছেলে আরজুর মৃত্যেু বিষয়ে ষ্টেটাস দিলে মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি ভাইরাল হয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই আরিফ জানান, ১ আগষ্ট দুপুর পৌনে দুটোর আগে কোন ডাক্তার বা নার্স করোনা ইউনিটে আসেনি। আমার ফোনে ডা: মাজেদুর সাহেব এসে আমার নিকট থেকে একটি ভন্ডসই নেয়ার ৩ ঘন্টার মধ্যে আমার ভাই মারা যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার যদি সময়মত খোঁজ খবর নিতো, তাহলে আমার ভায়ের এমন মৃত্যেু হতোনা।এ ব্যাপারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা অদৃশ্য কারণে ৩ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে তাঁর ফেইসবুক টাইম লাইনে তাঁর আনিত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে দ্বায়িত্বে থাকা ডা: মাজেদুর রহমানকে ডিউটিতে থাকার পরেও কেন প্রাইভেট ক্লিনিকে সময় দিলেন এমনকি করোনা ইউনিটে কেনইবা দুপুর পৌনে দুটোর আগে কোন খোঁজ খবর নিলেন না? এমন প্রশ্নরের সঠিক কোন জবাব তিনি দিতে পারেননি।ঝিনাইগাতী হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা: মো. জসিম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সবকিছু জেনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে সাংবাদিকদের আশ্বাস প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: আত্রাইয়ে দুই ভুয়া পুলিশ গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ সংবাদ

বিজ্ঞাপন
x