13.7 C
New York
Saturday, July 31, 2021

ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের জায়গা দখলের হিড়িক

বিজ্ঞাপন

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পাহাড় ধ্বংস করে গজারি বনের জমি দখলে মেতে উঠেছেন অবৈধ দখলদার। অসহায় হয়ে পড়েছেন বন বিভাগ– পাকা বাড়ী-ঘর নির্মাণের প্রতিযোগিতা। শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শাল কাঠের বাগানের পাহাড় রাংটিয়া রেঞ্জ গজনী বিট অফিস। বনের জমি দখল করে পাকা ঘরবাড়ি নির্মাণের প্রতিযোগিতা চলাচ্ছেন কিছু অসাধু রাজনৈতিক নেতা জনপ্রতিনিধিদের ছত্রছায়ায়।

বিজ্ঞাপন




ঝিনাইগাতীতে কাংশা ইউনিয়নের এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নওকুচি ও গান্ধিগাঁও রিক্সার গেরেজসহ কয়েকটি বন এলাকায় বনের সংরক্ষিত গেজেট ভুক্ত প্রায় ৫’শত একর জমি এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ও স্থানীয় কতিপয় দালাল রাজনৈতিক নেতাদের তদবির কারকদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় বনের জমি দিনে রাতে দখল প্রতিযোগিতায় মাঠে নেমেছে ওই অসাধু মহলটি। এদিকে কেউ কেউ আবার শুধু দখলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, জমি দখল করে নিজের কব্জায় রেখে পজিশন বিক্রির হিড়িক পড়েছে রাংটিয়া রেঞ্জের গজনীর বনাঞ্চলের।অবৈধ দখলের ফলে কেউ আঙ্গুল ফুলে হচ্ছে কলা গাছ। আবার অন্যদিকে হারিয়ে যাচ্ছে ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী গজনীর শাল, গজারী কাঠের বাগান বনাঞ্চল। এর কারণে বৈরী আবহাওয়াসহ জলবায়ুর ক্ষতি সাধন হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন




এ বিষয়ে রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ও গজনী বিট কর্মকর্তা ইলিছুর রহমান ও গজনী বিট কর্মকর্তা মকরুল ইসলাম আকন্দ জমি দখলের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, আমি নতুন যোগদান করেছি। তবে আমরা বসে নেই। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কাংশা ইউনিয়নের নওকুচি, গান্ধিগাঁও গেরেজ, বাকাকুড়া ও গজনী মৌজায় সিদ্দিক, লুৎফর, শাহজাহান, ইমান আলী, আজিজসহ অনেকেই পাকা দালান ঘর নির্মানের কাজ শুরু করেছেন। তবে রেঞ্জ কর্মকর্তার তথ্যমতে দেখা গেছে, অবৈধ দখলকারীর হোতাদের কাওকেই নিষেধ করে দমাতে পারেনি বরং দখল কারীরা উল্টোভাবে অযথা মিথ্যা অভিযোগ তুলে মিছিল মিটিং হুমকি ধামকি দেওয়া শুরু করেছেন। কিছু রাজনৈতিক নেতাদের মূূূখের ভাষায় দখলদারির পক্ষে কথা বলায় দখল কারিদের সাহস পেয়ে অবৈধ দখলে প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন




এদিকে শাল (গজারী)এ-সব দেখা শোনা পর্যবেক্ষন করার জন্য পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বন কর্মকর্তাদের। এ বিষয়ে রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইলিসুর রহমান জানান, যারা আগে থেকেই ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে তাদেরকে উচ্ছেদের বিষয়ে মৌখিক তাগাদা দেওয়া হলে গত ৯ জানুয়ারী ২০২০ ইং তারিখে বন বিভাগের বিরুদ্ধে একটি মিছিল নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও চেয়ারম্যানের নিকট স্মারক লিপি দেন। ওই স্মারক লিপি দেওয়ার পর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে নতুন নতুন মজবুত করে ঘর, ইটের বিল্ডিং দিয়ে তৈরি শুরু করে দিয়েছেন। তিনি আরো জানন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকাবাসী জানায়, শেরপুরের ঝিনাইগাতী শাল কাঠের বাগান দিয়েইয় পর্যটন এরিয়া গজনী অবকাশ নামেই পরিচিত।




বাংলাদেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত গজনী মানেই প্রাকৃতিক শাল কাঠের বাগান আরেক দিকে পাহার দংশ করে অবৈধ পাথর উত্তোলন আমরা দায়িত্ব পালন করছি কঠোরভাবে মামলাও দেওয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত আরেক দিকে,যেভাবে পাহাড়ী জমি বেদখল করে রাতারাতি বাড়ী ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে এতে আগামী ১০ বছরের মধ্যে এ বনাঞ্চল বিলুপ্তি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন রেঞ্জ কর্মকর্তা ইলিছুর রহমান।বন বিভাগের প্রায় ৮ হাজার ৮’শত ৮০ একর বনভূমির মধ্যে প্রায় আনুমানিক ১ হাজার ৬’শত একর বনভূমির জায়গা জবরদখল করে ফেলছে অতীতই।আর-ও বলেন বন বিভাগ রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আশা ব্যক্তকরে বলেন বনের জায়গা রক্ষার দায়িত্ব জন প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাদের সু নজর রাখতে হবে পাহাড় শুধু সরকারের নয় নিজের মতো করে সকলের সহযোগিতায় সম্ভব হবে অবৈধভাবে দখলদার দের বিরুদ্ধে পাহারের বন বিভাগ কে রক্ষা করা।

আরো পড়ুন>>> ঝিনাইগাতীতে অবৈধ পাথর জব্দ

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

Please enter your comment!
Please enter your name here

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ সংবাদ

x