দুর্গাপুর পল্লী বিদ্যুত অফিস কর্তৃপক্ষের গাফলতিতে আতঙ্কে পৌর গ্রাহক জোবায়ের হোসেনের পরিবার

কলিহাসান,দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি:
দুর্গাপুর পল্লী বিদ্যুত অফিস কর্তৃপক্ষের গাফলতিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন পৌরসদরের বাগিচাপাড়াস্থ বাসিন্দা জোবায়ের হোসেনের পরিবার ও আশপাশের গ্রাহকবৃন্দ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাগিচাপাড়া এলাকার মৃত: হাসিম উদ্দিনের পুত্র জোবায়ের হোসেন এর বসতঘরের সাথে ঘেঁষা ২৫ফুট খুঁটির সাথের একটি সাড়ে সাতত্রিশ কেভি ট্রান্সমিটার সংযুক্ত করে বিদ্যুত সংযোগ চালু রেখেছেন কৃর্তপক্ষ। এ ট্রান্সমিটার থেকে যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা। এ খুঁটির জন্যে চলাচলে বিঘœ হচ্ছে পরিবারের শিশুদের,চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে ভূক্তভোগী পরিবার।ঘরবাড়ী নির্মাণ করতেও পোহাতে হচ্ছে অনেক বেগ। পোল/খুঁটি স্থানান্তর করার জন্যে ভূক্তভোগী জোবায়ের হোসেন ১৮.০৩.১৮ইং তারিখে অর্থাৎ ৯মাস পূর্র্বে সংশ্লিষ্ট জোনাল অফিসে আবেদনের মাধ্যমে ১হাজার ৫শ টাকা জমা দেন ক্যাশ কাউন্টারে। এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত করতেও আসেনি ওই অফিস থেকে এমন দাবি ভূক্তভোগী গ্রাহকের। জোবায়ের বলেন আমি আমার পরিবার নিয়ে চরম উৎকন্ঠা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।আমার রান্না ঘরের ধোঁয়া বের হয়ে ওই ট্রান্সপরমার ধোঁয়াসা হয়ে যায়।ঘরের পূর্ব প¦ার্শের সাথে ঘেষা এ ট্রান্সপরমারটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় জীবনযাপন করছি। খুঁটি স্থানান্তরে যাবতীয় খরচ বহন করার অঙ্গীকার দিয়েও কোন ধরণের সেবা পাচ্ছেন না গ্রাহক।এমন উদাসীনতায় অতিষ্ট আশপাশের গ্রাহক। এই অবস্থার দ্রুত পরিত্রাণ চান ভূক্তভোগী পরিবার। এ ব্যাপারে দুর্গাপুর পল্লী বিদ্যুত জোনাল অফিসের ডিজিএম মোঃ আবুল কালাম আজাদ প্রতিনিধিকে বলেন এ বিষয়টি তো নেত্রকোনা অফিস থেকে কাজ করা হয়। তবে রশিদটি নিয়ে আমার কাছে আইসেন আমি দেখব নে। দ্রæত হয়ে যাবে বলে আশ^স্ত করেন। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুত সমিতি জিএম মোঃ মজিবুর রহমানকে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বিষয়টি আমি দেখছি।অচিরেই অভিযোগর বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

Please enter your comment!
Please enter your name here