1. durjoybangla24@gmail.com : durjoy bangla : durjoy bangla
  2. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Afjal Sharif : Afjal Sharif
  3. aponsordar122@gmail.com : Apon Sordar : Apon Sordar
  4. awal.thakurgaon2020@gmail.com : abdul awal : abdul awal
  5. sheblikhan56@gmail.com : Shebli Shadik Khan : Shebli Shadik Khan
  6. jahangirfa@yahoo.om : Jahangir Alam : Jahangir Alam
  7. mitudailybijoy2017@gmail.com : শারমীন সুলতানা মিতু : শারমীন সুলতানা মিতু
  8. nasimsarder84@gmail.com : Nasim Ahmed Riyad : Nasim Ahmed Riyad
  9. netfa1999@gmail.com : faruk ahemed : faruk ahemed
  10. mdsayedhossain5@gmail.com : Md Sayed Hossain : Md Sayed Hossain
  11. absrone702@gmail.com : abs rone : abs rone
  12. sumonpatwary2050@gmail.com : saiful : Saiful Islan
  13. animashd20@gmail.com : Animas Das : Animas Das
  14. Shorifsalehinbd24@gmail.com : Shorif salehin : Shorif salehin
  15. sbskendua@gmail.com : Samorendra Bishow Sorma : Samorendra Bishow Sorma
  16. swapan.das656@gmail.com : Swapan Des : Swapan Des
প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ২০২০ সাল থেকে নন ভ্যাকেশনাল করে অভিন্ন ছুটি ঘোষনা করা হোক - durjoy bangla | দুর্জয় বাংলা
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলা টিভির আশুলিয়া প্রতিনিধির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না ট্রেনে বাতিল হওয়া যাত্রীদের টাকা ফেরত দেবে রেলওয়ে কোভিট মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাগুলির ভুমিকা প্রশংসনীয়,সদস্য জাফর আলম মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ভূমি অফিসের ভবন উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মুন্সিগঞ্জে ৬শ পিছ ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ১ অতিরিক্ত আইজিপি’র পক্ষ থেকে গজারিয়া থানায় ঔষুধ ও মাস্ক বিতরণ অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন চলতি মাসেই: তথ্যমন্ত্রী দেওয়ানগঞ্জে বন্যার পানি বৃদ্ধি আড়িয়লবিলের শাপলায় স্বাবলম্বী কয়েক’শ পরিবার




প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ২০২০ সাল থেকে নন ভ্যাকেশনাল করে অভিন্ন ছুটি ঘোষনা করা হোক

দুর্জয় বাংলা ডেস্কঃ
  • রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
  • ৩৪০ বার পঠিত
সারোয়ার জাহান

মো.সারওয়ার জাহান

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নন-ভোকেশনাল সুবিধা পেলেও প্রাথমিক শিক্ষকরা বঞ্চিত হচ্ছে নন-ভোকেশনাল সুবিধা থেকে, বৈষম্য সৃষ্টি করা হচ্ছে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা ও ছুটির ব্যাপারে। প্রাথমিক শিক্ষক নেতারা বিভিন্ন সময় এ বিষয়ে দাবি জানিয়ে আসছেন, ইতিমধ্যে উচ্চ আদালতে রিটও হয়েছে। কিন্তু এখনও বিষয়টা সমাধা হয়নি।




সরকারি চাকরীজীবীদের সাথে প্রাথমিক শিক্ষকদের ছুটি ও সুযোগ-সুবিধার কোনো পার্থক্য নাই বরং প্রাথমিক শিক্ষকরা কম ছুটি ও সুবিধা ভোগ করেন।এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষকরা বিভিন্ন কর্মযজ্ঞ যেমন খেলাধুলা, উঠান বৈঠক ও সরকারি নানা দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এতে প্রাথমিক শিক্ষকদের অনেক ছুটি হারিয়ে যায়।অথচ প্রাথমিককে নন-ভোকেশনাল সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।




প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বছরে ৭৫ দিন যে ছুটির তালিকা করে থাকে তার মধ্যে জাতীয় দিবস সমূহ বিদ্যমান। যেমন শহীদ দিবস, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, বিজয় দিবস, জাতীয় শোক দিবস, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস, বাংলা নববর্ষ। এসব দিবসে ছুটি থাকা সত্ত্বেও দিবসগুলো উদযাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় চেতনাবোধ জাগ্রত করার জন্য বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ভাবে উপস্থিত থাকতে হয় শিক্ষকদের।নিঃসন্দেহে এটা একটা ভাল দিক।কিন্তু এই দিবসগুলোকে ছুটির তালিকায় রাখা হচ্ছে কেন?




এটা অমানবিকতা ছাড়া কিছুই না,ছুটির তালিকাতেও আছে অথচ নিজ-নিজ কর্মস্থলে সঠিক সময়ে উপস্হিত হয়ে দিবসগুলো পালন করতে হয়।অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় দিবসগুলোতে উপস্হিত না থাকলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।তাহলে কি দিবসগুলোকে ছুটির তালিকায় ছুটি হিসেবে রাখা মানবিক না অমানবিক?
অতএব প্রাথমিক শিক্ষকদের নন-ভোকেশনাল সুবিধা প্রদান করার লক্ষ্যে জাতীয় দিবসগুলোকে ছুটির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে, দিবসগুলোকে কর্ম দিবস হিসেবে দেখিয়ে ছুটির তালিকা সংশোধন করা আবশ্যক।




আর একটু বিশ্লষণ না করলেই নয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটির সাথে প্রাথমিকের ছুটির তালিকা পর্যালোচনা করলে দেখতে পাওয়া যায় যে,সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, প্রাথমিকের চেয়ে বেশি ছুটি পেয়ে থাকেন।
ছুটির তালিকায় বছরে ছুটি ৭৫ দিন হলেও প্রকৃতি পক্ষে বছরে ছুটি ৬৯ দিন। অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাছরে ২৩/২৪ দিন তালিকাভুক্ত সরকারি ছুটির পেয়ে থাকে। সাথে সাপ্তাহিক শনিবার ছুটি পান। যার সংখ্যা ৫২ দিন। তাহলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বৎসরে ছুটি পায় প্রায় (৫২+২৩ অথবা ২৪)=৭৫ অথবা দুই-এক দিন কম বেশি।
অথচ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নন-ভোকেশনাল সুবিধা সহ সকল সুবিধা দেওয়া হয়। আর প্রাথমিকের ক্ষেত্রে কাচকলা। প্রাথমিকের শিক্ষকদের ছুটি যদি বেশি হয় তাহলে ছুটি কমাতে হবে, বেশি ছুটি দেওয়ার দরকার কি? সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটির সাথে সমন্বয় করে ছুটি দেওয়া হোক।




অতএব প্রাথমিক শিক্ষকদের নন-ভোকেশনাল সুবিধা প্রদান করার লক্ষ্যে জাতীয় দিবসগুলোকে ছুটির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ছুটির তালিকা সংশোধন করা আবশ্যক।জাতীয় দিবসগুলোকে কর্মদিবস হিসেবে দেখিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য তালিকাভুক্ত ছুটির সাথে মিল রেখে প্রাথমিক শিক্ষকদের ছুটি সমন্বয় করতঃ শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রতি তিন বছর পর পর প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধান করা,সকল সুযোগ-সুবিধা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মত নন-ভোকেশনাল বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।

বাংলাদেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ২০২০ সাল থেকে নন ভ্যাকেশনাল করে অভিন্ন ছুটি ঘোষনা করা হোক।

মো. সারওয়ার জাহান
সহকারী শিক্ষক,
রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,
গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

আপনার মতামত লিখুনঃ
নিউজটি সেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল!
এই জাতীয় আরো সংবাদ







©২০১৩-২০২০ সর্বস্তত্ব সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা

কারিগরি সহযোগিতায় দুর্জয় বাংলা