13.7 C
New York
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২১, ২০২১

প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিল প্রেমিকা

কেন্দুয়া প্রতিনিধি

বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পরকীয়া প্রেমের স্বীকৃত না পেয়ে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে স্বামী পরিত্যক্তা হাবিবা আক্তার হোসনে আরা (২৭) নামে এক নারী। এঘটনাটি বৃহস্পতিবার ( ২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সান্দিকোনা ইউপির আটিগ্রামে ঘটেছে। আহত হাবিবা আক্তার হোসনে আরা একই ইউপির ছেংজানা গ্রামের সুরুজ আলী মেয়ে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয়দের সুত্রে জানা গেছে, আহত ওই নারী একাধিক বার বিয়ে হয়েছে। সম্প্রতি সান্দিকোনা ইউপির পাইমাস্কা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে জামাল মিয়ার সাথে সর্বশেষ বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিনের মাথায় দাম্পত্যকলহ দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত মামলা-মোকদ্দমায় গড়ায়।

মামলা হওয়ার পর জামাল মিয়া দেশের বাহিরে চলে যায়। ওই নারীর মামলা-মোকদ্দমা সহায়তা করতে গিয়ে আটিগ্রাম গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে দেলোয়ার ওরফে দিলু মিয়ার সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিকে দিলু মিয়া ৫ সন্তানের জনক। গত কোরবানি ঈদের পরে তিনি একটি হত্যা মামলায় আসামী হয়ে পলাতক ছিলেন। সবেমাত্র হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে বাড়িতে এসেছেন।

বিজ্ঞাপন

হাবিবা চট্টগ্রামে একটি পোশাক কারখানা চাকুরী করতেন। দিলু বাড়িতে আসার খবর পেয়ে বুধবার সে বাড়িতে আসে এবং প্রেমের স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে দিলু মিয়ার বাড়ি যায়। বাড়ির উঠানে ঢুকে হাবিবা তার নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে বাড়ির লোকজন আগুন নিভিয়ে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( অপরাধ) মনিরুল ইসলাম, কেন্দুয়া সার্কেল এএসপির জোনাঈদ আফ্রাদ ও ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ। পেট্রোলের আগুনে হাবিবার মুখমণ্ডল ও দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়েছে।আহত ওই নারীর আত্মীয় হামিদ জানান, চট্টগ্রাম থেকে বুধবার সে বাড়িতে এসেছে। আজ সকালে আটিগ্রামে গিয়ে ঘটেছে তা ঠিক বলতে পারছি না। খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে দেখে তাকে দগ্ধাস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

দিলু মিয়ার বড় ভাই সোহাগ মিয়া জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ওই মহিলার সাথে তার ভাইয়ের প্রেমের বিষয়টি তারা জানতেন না। হটাৎ আজ এই মহিলা বাড়িতে উপস্থিত হয়ে নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়েছেন। তার ভাইয়ের অপরাধ থাকলে তাকে আইনের আওতায় আনার কথাও বলেন তিনি। কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার সৈয়দ আব্দুল্লাহ গালিব জোবায়ের বলেন, মহিলার মূখমন্ডল, দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পুরে গেছে। শরীরের ৩০ শতাংশের বেশি পুড়েছে।

কেন্দুয়া থানা ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ বলেন, ঘটনা জানার পরপরই হাসপাতালে যাই এবং ভিকটিমের সাথে কথা বলেছি। হাবিবা জানিয়েছে দিলু মিয়ার সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। সম্প্রতি তাদের সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটেছে। যেকারনে তার প্রেমের স্বীকৃত আদায়ের জন্য এই কান্ড ঘটিয়েছে। এব্যাপারে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, আহত ওই নারীর একাধিক বিয়ে হয়েছে। সম্প্রতি সান্দিকোনা ইউপির পাইমাস্কা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে জামাল মিয়ার সঙ্গে সর্বশেষ বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিনের মাথায় দাম্পত্যকলহ দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত মামলা-মোকদ্দমায় গড়ায়।

জানা গেছে, মামলা হওয়ার পর জামাল মিয়া বিদেশে চলে যান। ওই নারীর মামলা-মোকদ্দমা সহায়তা করতে গিয়ে আটিগ্রাম গ্রামের দেলোয়ার ওরফে দিলু মিয়ার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিকে দিলু মিয়া পাঁচ সন্তানের জনক। গত কোরবানি ঈদের পরে তিনি একটি হত্যা মামলায় আসামি হয়ে পলাতক ছিলেন। গত কয়েক দিন আগে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে বাড়িতে এসেছেন। আরও জানা গেছে, ওই নারী চট্টগ্রামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

দিলু মিয়া বাড়িতে আসার খবর পেয়ে গত বুধবার তিনিও বাড়িতে আসেন। প্রেমের স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে দিলু মিয়ার বাড়ি যান। বাড়ির উঠানে ঢুকে তিনি শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে বাড়ির লোকজন আগুন নিভিয়ে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মনিরুল ইসলাম, কেন্দুয়া সার্কেল এএসপির জোনাঈদ আফ্রাদ ও থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ।

কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ আব্দুল্লাহ গালিব জোবায়ের বলেন, ওই নারীর মুখমণ্ডল, দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৩০ শতাংশের বেশি পুড়েছে। কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ বলেন, ঘটনা জানার পরপরই হাসপাতালে গিয়ে ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, দিলু মিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তাদের সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটেছে। প্রেমের স্বীকৃত আদায়ের জন্য এই কাণ্ড ঘটিয়েছে ওই নারী। এ ব্যাপারে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন সাংবাদিকরা উন্নয়ন অগ্রগতির সহায়ক শক্তি -তথ্যমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ সংবাদ

বিজ্ঞাপন
x