13.7 C
New York
সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১

বিএডিসি’র পানি সরবরাহের ড্রেনের দাবি কৃষকের

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

বিজ্ঞাপন

ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের জারুলতলা-বাউইবাদা গ্রামে দুই কিলোমিটার সেচ ড্রেনের দাবী জানিয়েছে কৃষকরা ।বিএডিসির এ দুই কিলোমিটার সেচ ড্রেন নির্মাণ হলে প্রায় ২/৩ শ একর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ইরি-বোরো ধান উৎপাদিত হবে। এসব জমি প্রতি বছর সেচের অভাবে পতিত পড়ে থাকে। এলাকার ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান,মহারশী নদী থেকে বিএডিসির সেচ ড্রেন তৈরী করে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরো দুই কিলোমিটার সেচ ড্রেন নির্মান করা হলে অবশিষ্ট আরো ২/৩শ একর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। উল্লেখিত পরিমাণ সেচ ড্রেনের অভাবে বিপুল পরিমাণ জমি প্রতি বছর অনাবাদী হয়ে পতিত পড়ে থাকে। নলকুড়া ইউনিয়নের ফাকরাবাদ -বাইউবাদা সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার খালেক সাইফুল্লাহ জানান,বিএডিসির আওতায় আরো দুই কিলোমিটার সেচ ড্রেনের ব্যবস্থা করা হলে ৩/৪ গ্রামের প্রায় ২/৩শ একর অনাবাদী জমি সেচের আওতায় আসবে।



বিজ্ঞাপন

এতে করে প্রান্তিক কৃষক পর্য্যায়ের ৫ শতাধিক পরিবর সরাসরি উপকৃত হবে। এ ব্যাপারে নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: মজনু মিয়া জরুরী ভিত্তিতে ওই দুই কিলোমিটার সেচ ড্রেন নির্মাণের জন্য বিএডিসির কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ এর সাথে কথা হলে তিনি এ ব্যাপারে বিএডিসির সাথে কথা বলবেন বলে জানান।



বিজ্ঞাপন

শেরপুর জেলা বিএডিসি (ক্ষুদ্র সেচ) প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী মো: আলাল উদ্দিন বলেন, নলকুড়া ইউনিয়নে প্রথম দফায় এক হাজার ও দ্বিতীয় দফায় এক হাজার মোট দুই হাজার মটার ড্রেন নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকাতে আরো অনাবাদী জমি পড়ে রয়েছে। ওইসব পতিত জমি সেচের আওতায় আনতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে প্রকল্প হাতে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে অনাবাদী পতিত জমিগুলো সেচের আওতায় আসবে।

আরো পড়ুন: শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন মফিজুর রহমান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ সংবাদ

বিজ্ঞাপন
x