বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে সরকারের নিষ্ঠুর রসিকতায় দেশবাসী বিস্মিত,আবুল হাশেম বক্কর

বিভাগীয় ব্যুরো চট্টগ্রামঃ
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর
বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, বেগম জিয়ার অসুস্থতা
নিয়ে সরকারের নিষ্ঠুর রসিকতায় দেশবাসী বিস্মিত ও হতভম্ব। নির্জন কারাগারে
বন্দি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তার ব্যক্তিগত
চিকিৎসকগণ ও বিএনপির পক্ষ থেকে সুচিকিৎসা নিশ্চিতের জন্য বার বার দাবী
জানিয়ে আসছে। কিন্তু নির্দয় নিষ্ঠুর সরকার কুম্ভকর্ণের ঘুমে আচ্ছন্ন।
বেগম জিয়াকে বিশেষায়িত ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার দাবী জানালেও সরকার
নির্বিকার। তিনি আজ ৭ মে সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে
নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে
কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এতে
তিনি বলেন, সরকার বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে বেশী ভয় পায়। তাই গাজীপুর
সিটি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভরাডুবি হবে জেনে হাইকোর্টকে ব্যবহার করে
নির্বাচন স্থগিত করিয়েছে। ইতোপূর্বেও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে
জিততে পারবে না মনে করে স্থগিত করে দিয়েছিলো। বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে ধরে রাখার জন্য গণতন্ত্রকে
নি:শ্বেষ করে ফেলছে। তিনি আরো বলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ
আল নোমানকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছিলো। কিন্তু জনগণের চাপের
মুখে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। সরকারী দলের লোকজন আবোল তাবুল বকা শুরু
করেছে। তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে সারা দেশে গণগ্রেফতার চালাচ্ছে। কিন্তু শত
জুলুম নির্যাতন চালিয়েও বিএনপিকে দুর্বল করতে পারেনি। তিনি বলেন, সরকারের
স্বৈরচারী শাসনের এখন শেষ সময়। জনগণ ভোটারহীন এই সরকারকে হঠাতে এখন
রাজপথে নেমে এসেছে। জনগণ আন্দোলন শুরু করেছে এর শেষ হবেই। হযত সময় লাগছে
কিন্তু পরাজয় তাদের হবেই। এই ভয়ে এখন আওয়ামীলীগ আতংকের রোগে ভুগছে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ানের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে আবু সুফিয়ান বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ
নির্বাচনকে কুক্ষিগত করে দেশে আবারো একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েম করতেই
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদেরকে লাগাতার গ্রেফতার ও নির্যাতন করছে সরকার।
জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে সরকার অমানবিক ও অগণতান্ত্রিক পথে হাঁটছে।
জনগণকে ভয় দেখাতে তারা সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছে। জনগণকে ভয় পাইয়ে দিতে
নিষ্ঠুরতার শেষ সীমানা অতিক্রম করেছে। ভয়াবহ দু:শাসনে জনগণের ক্ষোভকে
দমন-পীড়নের মাধ্যমে প্রতিরোধ করতে উন্মাদ হয়ে গেছে বর্তমান ভোটারবিহীন
সরকার। তিনি বলেন, মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাবন্দী দেশনেত্রী বেগম
খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে চলমান আন্দোলনকে দমন করার
উদ্দেশ্যেই বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম এবং গ্রেফতার
করা হচ্ছে। কিন্তু এসব নিপীড়ন করে সরকার যেমন জনগণের রোষ থেকে রেহাই পাবে
না তেমনি দেশনেত্রীর মুক্তি আন্দোলনকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।
বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বৈষম্য ও বঞ্চনাহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে
দেশবাসী সরকারের একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁডাবেই। চট্টগ্রাম মহানগর
বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের সঞ্চালনায় সমাবেশে
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি
আলহাজ্ব এম এ আজিজ, হ্জাী মোহাম্মদ আলী, মো. আশরাফ চৌধুরী, হারুন জামান,
ছৈয়দ আহমদ, এস এম আবুল ফয়েজ, যুগ্মসম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল
উদ্দিন, মো. শাহ আলম, এসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আবদুল
মন্নান, মনজুর আলম মনজু, মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, সামশুল হক, সাংগঠনিক
সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব
উদ্দিন মবিন, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, সহসাধারণ সম্পাদক মো. শাহআলম, আবু
জহুর, জহির আহমদ, সম্পাদকবৃন্দ মো. আলী মিঠু, এম আই চৌধুরী মামুন, হামিদ
হোসাইন, হাজী নুরুল আকতার, ডা. এস এম সরোয়ার আলম, নুরুল আকবার কাজল,
অধ্যাপক ঝন্টু বড়–য়া, ইয়াকুব চৌধুরী, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, থানার
সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন ডেপতি, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন,
হাজী মো. হানিফ সওদাগর, মো. সেকান্দর, আবদুল্লাহ আল হারুন, সহসম্পাদক
আবদুল হালিম স্বপন, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী,
মো. শাহাজাহান, আজাদ বাঙালী, আবু মুসা, সফিক আহমেদ, আবুল খায়ের মেম্বার,
মোস্তাফিজুর রহমান ভুলু, সালাহ উদ্দিন লাতু, নগর মহিলা দলের সাধারণ
সম্পদিকা জেলী চৌধুরী, কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, নগর ছাত্রদলের সাধারণ
সম্পাদক বেলায়েত হোসেন ভুলু, নগর শ্রমিক দল সভাপতি তাহের আহমদ, নগর
এনপিপির সভাপতি আনোয়ার সাদেক, থানা বিএনপির সম্পাদক জাকির হোসেন, হাজী
বাদশা মিয়া, আবদুল কাদের জসিম, নগর বিএনপির সদস্য ইউসুফ সিকদার, মনজুর
কাদের মিন্টু, আইয়ুব খান, মো. তসলিম, মো. ইলিয়াছ, তাঁতীদল নেতা জাহাংগীর আলম নগর যুবদল নেতা ছাইফুর

রহমান শপথ, হাসান আল মামুন, এরশাদ হোসেন, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, তানভীর
মল্লিক, ছাত্রদল নেতা শেখ রাসেল, ওয়ার্ড সভাপতি এস এম মফিজ উল্লাহ, কাজী
সামশুল আলম, মনজু আলম মঞ্জু, আবদুল্লাহ আল ছগীর, আলাউদ্দিন আলী নূর, মো.
বেলাল, জমির আহমদ, মো. মহসিন, মো. আসলাম, মো. আজম, সম্পাদক হাবিবুর রহমান
চৌধুরী, এম এ হালিম বাবলু, এস এম আবুল কালাম আবু, জাহেদুল্লাহ রাশেদ,
জসিম মিয়া, ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম, ফয়েজ আহমদ, সিরাজুল ইসলাম মুনসি, মো.
হাসান, কামরুল ইসলাম, মো. হাসান, মামুন আলম, মো. শফি প্রমুখ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

Please enter your comment!
Please enter your name here