1. durjoybangla24@gmail.com : durjoy bangla : durjoy bangla
  2. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Afjal Sharif : Afjal Sharif
  3. aponsordar122@gmail.com : Apon Sordar : Apon Sordar
  4. awal.thakurgaon2020@gmail.com : abdul awal : abdul awal
  5. sheblikhan56@gmail.com : Shebli Shadik Khan : Shebli Shadik Khan
  6. jahangirfa@yahoo.om : Jahangir Alam : Jahangir Alam
  7. mitudailybijoy2017@gmail.com : শারমীন সুলতানা মিতু : শারমীন সুলতানা মিতু
  8. nasimsarder84@gmail.com : Nasim Ahmed Riyad : Nasim Ahmed Riyad
  9. netfa1999@gmail.com : faruk ahemed : faruk ahemed
  10. mdsayedhossain5@gmail.com : Md Sayed Hossain : Md Sayed Hossain
  11. absrone702@gmail.com : abs rone : abs rone
  12. sumonpatwary2050@gmail.com : saiful : Saiful Islan
  13. animashd20@gmail.com : Animas Das : Animas Das
  14. Shorifsalehinbd24@gmail.com : Shorif salehin : Shorif salehin
  15. sbskendua@gmail.com : Samorendra Bishow Sorma : Samorendra Bishow Sorma
  16. swapan.das656@gmail.com : Swapan Des : Swapan Des
  17. washimahemed82093@gmail.com : washim ahemed : washim ahemed
ভ্রমণ ডায়েরি - durjoy bangla | দুর্জয় বাংলা
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিডি ক্লিন নকলা টিমের বর্ষপূর্তিতে সম্মাননা স্মারক প্রদান ধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল এমসি কলেজ মদনে অনশন করা সেই প্রেমিকার ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত জগন্নাথপুরে মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রচার মিছিল ও পথসভা কলমাকান্দায় টানা বর্ষণে তলিয়ে গেছে আমন ধান শ্রীপুর পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করতে চাই -এড, হারুন অর রশিদ ফরিদ বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে কলেজ ছাত্রী জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার আহবায়ক কমিটির গঠন জেগেছে তারুণ্য তুলছে ময়লা, ঈশ্বরগঞ্জ বিডি ক্লিনের ১২ তম ইভেন্ট সম্পন্ন দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী ও নেতাই নদীর তীব্র ভাঙনে, আতঙ্কে ১৫ গ্রামের বসতি




ভ্রমণ ডায়েরি

  • শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
  • ৪২৫ বার পঠিত
জাপান ভ্রমণকালে আজিজুল মওলা

আমাদের তীব্র পানি তৃষ্ণা পেয়েছিল হাকাতা স্টেশনে পৌঁছার পর। সুন্দর ঝকঝকে তকতকে পরিচ্ছন্ন একটি ট্রেন স্টেশন। কোন মানুষকে চোখে দেখলাম না। চতুর্দিকে তাকিয়ে দেখলাম আমি আর সফরসঙ্গী আমার স্যার ছাড়া স্টেশনে কোন জনমানব নেই। মনে মনে একটু একটু ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম । মিনিট দশেক পরে দেখলাম এক ভদ্রমহিলা একটি ছোট্ট দোকানের শাটার খুলছেন।

বলছিলাম জীবনে প্রথম জাপান সফরের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতার কথা। জীবনে প্রথমবার যখন জাপান যায়, আমার কাছে ওদের সবকিছুই নতুন মনে হয়েছে। ফুকুওকা,ইয়ামাগুচিছি, হিরোশিমা একেকটা শহরের সেটআপ একেক রকম।

জাপান যাওয়ার আগে বুলেট ট্রেন নাম শুনেছি, কখনো দেখিনি। ফুকুওকা এয়ারপোর্ট থেকে ইমিগ্রেশন শেষ করে ডলার ভাঙিয়ে ট্যাক্সিক্যাবে উঠলাম । ১০ মিনিট চলার পরে ট্রেন স্টেশনে পৌছালাম নাম হাকাতা স্টেশন । জাপানের ট্যাক্সিক্যাবের ভাড়া এবং অত্যধিক দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন -শিনকানসেন এর ভাড়া একটু বেশি মনে হল। ট্রেনের সিস্টেম দুই প্রকার একটা রিজার্ভ সিস্টেম-ভাড়া বেশি আপনার জন্য সিট বরাদ্দ থাকবে, আরেকটা হল জেনারেল ।

জাপানিদের সততা, ভদ্রতা নম্রতা, মানুষকে শ্রদ্ধা করার প্রবণতা, মানুষকে সাহায্য করার প্রবণতা অন্যন্য দেশের তুলনায় অনেক অনেক এগিয়ে। জাপানিদের শুধু একটিমাত্র দুর্বলতা আমার কাছে চোখে পড়েছে সেটা হল ল্যাঙ্গুয়েজ স্কিল/ কমিউনিকেশন স্কিল। খুব কম সংখ্যক জাপানি ইংরেজি বুঝে এবং কথা বলতে পারেন, আমার কাছে সেটাই মনে হয়েছে।

যাহোক, আমরা দুজনেই গেলাম ওই ভদ্র মহিলার কাছে। ইংরেজিতে বললাম আমাদের পানি দরকার। তিনি সেলফ এই রাখা কিছু সাদা স্বচ্ছ কাচের বোতল দেখালেন । আমরা দুটি বোতল নিলাম আর সাথে কিছু বাদাম , জাপানি নোট দিলাম। তিনি জাপানি ভাষায় জিজ্ঞেস করলেন আমাদের ছোট নোট আছে কিনা ? মাথা নেড়ে বললাম আমাদের এর চেয়ে ছোট নোট নেই , আমরা আজকেই এসেছি জাপানে। স্বচ্ছ কাঁচের বোতল গুলো আমার হাতে দিয়ে ,ভুরু কুঁচকে কষ্ট করে অনেকগুলো কয়েন ও ছোট নোট ফেরত দিলেন। একটি বোতল খুলে খাওয়া শুরু করলাম, দেখি এটি sparkling water । খেয়ে শান্তি লাগলো না। আবার গেলাম গিয়ে অন্য বোতলটি ফেরত দিয়ে বললাম আমাদের পিউর ওয়াটার দরকার। তিনি হাসিমুখে বোতলটি ফেরত নিয়ে প্লাস্টিকের দু বোতল পানি দিলেন। ঝটপট হাঁটা শুরু করলাম। কিছুক্ষণ পর দেখলাম তিনি দৌড়ে এগিয়ে আসলেন । তিনি বললেন ইশারায়… সাথে কিছু ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজি শব্দ আর জাপানি শব্দের মিশ্রণে। আরো কিছু কয়েন ফেরত দিলেন। আমার কাছে বিষয়টি একটু অদ্ভুতই লেগেছে।

যাহোক, আরো ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করলাম। হঠাৎ করে কোত্থেকে একটা ট্রেন এসে হাজির । দু’এক মিনিট যেতে না যেতেই দেখলাম প্যান্ট এবং শার্ট একসাথে বিশেষ ভাবে তৈরি সাদা রংয়ের ইউনিফর্ম পরে ১২-১৫ জনের একটা টিম দেখলাম। ওরা আসলে ট্রেনের কামরা পরিষ্কার করতে এসেছে। প্রায় ৫/৭ মিনিটের মধ্যেই ট্রেন রেডি। আর পাঁচ মিনিট যেতে না যেতেই কয়েকশো লোক হাজির। আমার কাছে সবকিছু এলোমেলো এবং অদ্ভুত লাগছিল। রিজার্ভে টিকেট সংগ্রহ করে বুলেট ট্রেন -শিনকানসেন এ চেপে বসলাম।

কাঁটায় কাঁটায় টিক চার মিনিট পরে ট্রেন ছেড়ে দিল। সে এক অন্যরকম ভাললাগা অনুভূতি।আমি ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে দেখলাম বাইরের জগৎ আর ট্রেনের ভিতরের দৃশ্য। দুর্বার গতিতে ট্রেন ছুটে চলল ইয়ামাগুচিসি র দিকে। মোবাইল অন করে ভিডিও করতে থাকলাম দু এক মিনিটের জন্য। ট্রেনের স্পিড উঠতেসে তো উঠতেসে ৪৩০ কিলোমিটার পার আওয়ার গিয়ে টেক’ল। ডিসপ্লেতে সব দেখা যাচ্ছে কত স্পিডে চলছে আর কোন স্টেশনে পৌঁছালো সামনে কোন স্টেশন আছে……ট্রেনের ভিতরের মানুষগুলোর কোন সাড়াশব্দ নেই, নেই কোন ট্রেন চলার শব্দ, শুধু বাতাসের মধ্যে একটি শব্দ কানে বাজছে । চুপচাপ বসে বসে বই পড়ছে, কেউ করছে ল্যাপটপে কাজ, আর কেউ পত্রিকায় চোখ বুলিয়ে নিচ্ছে…..

Azizul Moula Facebook টাইমলাইন থেকে নেওয়া
(চলবে) চলমান ২

আপনার মতামত লিখুনঃ
নিউজটি সেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল!
এই জাতীয় আরো সংবাদ




আমাদের ফেসবুক পেজ




durjoybangla.conlm_৮ বছরে




add_durjoybangla.com_দুর্জয় বাংলা

ঘরে বসে বিজ্ঞাপন দিন

add_durjoybangla.com
©২০১৩-২০২০ সর্বস্তত্ব সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা
কারিগরি সহযোগিতায়  দুর্জয় বাংলা