‘মাদরাসার’ মধ্যযুগীয় বর্বরতার অবসান কবে? ‘মাদরাসার’ মধ্যযুগীয় বর্বরতার অবসান কবে? – durjoy bangla | দুর্জয় বাংলা
  1. durjoybangla24@gmail.com : durjoy bangla : durjoy bangla
  2. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Afjal Sharif : Afjal Sharif
  3. aponsordar122@gmail.com : Apon Sordar : Apon Sordar
  4. awal.thakurgaon2020@gmail.com : abdul awal : abdul awal
  5. sheblikhan56@gmail.com : Shebli Shadik Khan : Shebli Shadik Khan
  6. jahangirfa@yahoo.om : Jahangir Alam : Jahangir Alam
  7. mitudailybijoy2017@gmail.com : শারমীন সুলতানা মিতু : শারমীন সুলতানা মিতু
  8. nasimsarder84@gmail.com : Nasim Ahmed Riyad : Nasim Ahmed Riyad
  9. netfa1999@gmail.com : faruk ahemed : faruk ahemed
  10. rtipu71@gmail.com : razib :
  11. absrone702@gmail.com : abs rone : abs rone
  12. sumonpatwary2050@gmail.com : saiful : Saiful Islan
  13. animashd20@gmail.com : Animas Das : Animas Das
  14. Shorifsalehinbd24@gmail.com : Shorif salehin : Shorif salehin
  15. sbskendua@gmail.com : Samorendra Bishow Sorma : Samorendra Bishow Sorma
  16. swapan.das656@gmail.com : Swapan Des : Swapan Des
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জৈন্তাপুরে নতুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৬, নমুনা সংগ্রহ ৪৪ জনের কেন্দুয়ার প্রবীণ সাংবাদিকসহ তার পরিবারে ৫ জন করোনা আক্রান্ত গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানায় মশা নিধন অভিযান রাজারহাটে সানু হত্যার ২৮ দিনেও পুলিশ প্রশাসন হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পটুয়াখালীর বাউফলে গত এক মাসে নতুন করে কেউ করোনা আক্রান্ত হয়নি শ্রীনগরে অমিত বাহিনীর হামলার ৮ জন আহতের ঘটনায় থানায় মামলা নকলা উপজেলায় স্বেচ্ছাশ্রমে কৃষকের আউশ ধান রোপন নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে ধনু নদীর ভাঙনে প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন! ঠাকুরগাঁওয়ে তিন চোখ-দুই মুখ-দুই জিহবা নি‌য়ে অদ্ভুত গরুর বাছুর জন্ম মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত বাউল সালাম সরকার




‘মাদরাসার’ মধ্যযুগীয় বর্বরতার অবসান কবে?

  • প্রকাশের সময় | বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ২৮১ বার পঠিত

মো. নাজমুল হোসেন, বগুড়া প্রতিনিধি

মাঝেমাঝেই গনমাধ্যমগুলোতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ভয়ংকর, বীভৎস ছবি ও খবর দেখা যায়। এসব খবরে যেকোনো বিবেকবান মানুষের খারাপ লাগার কথা। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এ মধ্যযুগীয় বর্বরতা বন্ধ হচ্ছে না।

বাংলাদেশের প্রায় সব বিদ্যালয় ও মাদরাসায়, বিশেষ করে হাফেজিয়া মাদ্রাসাগুলোতে রোজ কোনো না কোনো কোমলমতি শিক্ষার্থীর উপর কিছু নিষ্ঠুর শিক্ষক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেই চলেছেন।



এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনের অনুভূতি কেমন হয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও এসব নির্যাতন যে পরিমাণে ঘটে, তার সিংহ ভাগই গনমাধ্যমে আসে না। আর এসব অপরাধী শিক্ষকদের শাস্তি হওয়ার ঘটনা তো আরও বিরল!

এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদরাসাগুলোতে পড়তে আসে দরিদ্র, অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, ধর্মপ্রাণ মানুষের ছেলেমেয়েরা যারা সন্তানকে ইসলাম শিক্ষা, তথা কোরআনের হাফেজ বানানোর জন্য আগ্রহী। এসব মাদরাসা ও এতিমখানায় দরিদ্র পরিবারের শিশুদের উপর যৌন নির্যাতনের ঘটনাও কম ঘটে না।



গেল বছর ১৭ অক্টোবর শেরপুর সদর উপজেলায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে পুলিশ ওই মাদ্রাসার শিক্ষক উমর ফারুককে গ্রেপ্তার করে।

১২ ডিসেম্বর নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আহম্মেদপুর মহিউস সুন্নাহ হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার ছয় ছাত্রকে দিনের পর দিন বলাৎকার করা হয় বলে খবর আসে স্থানীয় পত্রিকায়।

২১ নভেম্বর ১০ ববছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে নাঈম নামক আরবি শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ।



এত গেল মাত্র কয়েকটি ঘটনা। বিশেষ করে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা দায়েরের ঘটনায় চলতি বছর ৬ এপ্রিল মাদরাসাছাত্রী নুসরাতকে হাত-পা বেঁধে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এমন নৃশংস ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

গত এপ্রিলে এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক তার ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের পর পাশবিকভাবে হত্যা করেন৷

গত জুলাই মাসে পাঁচজন মাদরাসা শিক্ষককে তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়৷ ১১ বছরের এক এতিমকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে আটক হন কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী।



১২ থেকে ১৯ বছর বয়সের ডজনখানেক ছেলেকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে একজন মাদরাসা শিক্ষককেও গ্রেপ্তার করা হয়৷

উইকিপিডিয়ার তথ্য বলছে, বাংলাদেশে ২০১৭ সালে শুধু মাত্র মাদ্রাসায় ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে ১৮টি। ১৮’ সালে এর সংখ্যা আরো ছাড়িয়েছে, আর ১৯ ‘এ যা ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে!

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, মাদরাসাগুলোতে ধর্ষণ থেকে শুরু করে জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন করা হয়৷

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৩ হাজার ৯০২টি কওমি মাদরাসায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখেরও বেশি৷ তবে বেসরকারি হিসেব মতে, সারা দেশে কওমি মাদরাসার সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি৷



বাংলাদেশের অধিকাংশ মিডিয়া, গনমাধ্যম বসে বসে এটাকে সমকামীতা বলে আখ্যা দেয়, এটা মোটেই সমকামীতা নয় এটাকে শিশুকমীতা বলে। আরেকটু সহজ করে বলি, যখন কেউ তার সমলিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন তাকে সমকামী বলে আর যখন কেউ শিশুর প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন তাকে শিশুকামী বলে।

অনেকেই হুমায়ন আহমেদের “ঘেটুপুত্র” কমলা সিনেমাটি দেখে ওটাকে সমকামী সম্পর্ক বলে আখ্যা করেছিলেন, কিন্তু ওটা কোনো ভাবেই সমকামীতা নয়, ওটা শিশুকামীতা। তাই নয় কি?

মাদরাসায় কোনো সময় হুজুর কর্তৃক ছাত্র ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেই দেখবেন এই খবর গুলো তেমন একটা প্রাধান্য পায় না গণমাধ্যমে’র শিরোনামে। যাও প্রকাশ করা হয়, তাও কেটে ছেটে সুন্দর করে লেখে “ছাত্র বলাৎকার” একটা মেয়ে ধর্ষিত হলে তা ধর্ষণ আর একটা ছেলে ধর্ষিত হলে তা বলাৎকার,ঠিক এই বৈষ্যমের মানে বুঝি না!

এতো এতো হাদিস, এতো অনুভূতি এতো চেতনা থাকার পরেও কেন শুধু মাত্র হুজুর দ্বারা এতগুলো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে আর এখনও অহরহ ঘটছে?

আর আমাদের দেশের মানুষ যে পরিমান ধর্মান্ধ নিজের শিশুটি যতক্ষণ না ধর্ষণ হচ্ছে, লাঞ্ছিত হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত তারা তো বিশ্বাস করতেই প্রস্তুত না যে মাদরাসায় হুজুরের এই ঘৃণ্য শিশুকামীতার কাজটি করে থাকে।



বাংলাদেশের আইন নারী ধর্ষণ কে সংজ্ঞায়ণ করেছে, কিন্তু কেন পুরুষ ধর্ষণকে এদেশের আইন সংজ্ঞায়ণ করে নি?

বলেনি একজন পুরুষ ধর্ষণের স্বীকার হলে কি শাস্তি পাবে? সমকামীতার সংজ্ঞায়ণ ও তার শাস্তির কথা এদেশের আইন বলেছে, কিন্তু শিশুকামীতার মতো অপরাধ কে এই দেশের আইন অপরাধ হিসেবে যুক্তই করেনি, শাস্তিতো দূরের কথা!

একবার শুধু ভাবুন তো একজন নিন্ম বিত্ত মানুষ সৃষ্টিকর্তার প্রতি আস্তা স্থাপন করে, তার সন্তানকে দিচ্ছে কওমী মাদরাসায় আলেম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। কিন্তু সেখানে গিয়ে সন্তান ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে। এই অসহায় মানুষ গুলো কার কাছে প্রতিকার চাইবে? আছে কি কোন উত্তর!

আসলে কি মাত্র কয়েকটি ঘটনা ? এই ১৮টি ঘটনা বড়সড় পর্যায়ের ছিলো কিন্তু নিত্যদিন তো এমন অনেক ঘটনাই ঘটছে যা জনসম্মুখে প্রকাশ পায় না।

সিনিয়ার কর্তৃক জুনিয়ার, হুজুর দ্বারা ছাত্র এমন শিশুকামীতা অহরহ চলছেই, নেই কোনো প্রতিবাদ, নেই কোনো প্রতিরোধ, নেই কোনো জনসচেতনতার উদ্যোগ।



যে ঘটনার স্বীকার হচ্ছে সেই কেবল এটাকে বয়ে বেড়াচ্ছে, দায় নিচ্ছেনা কেউ! বরং করা হচ্ছে তিরস্কার । আর কত! এসবের অবসান কবে ঘটবে?

শিক্ষক নামের এসব নরপশুর পৈশাচিকতা থেকে সন্তানতুল্য ছাত্রীরাই শুধু নয়, বরং রেহাই পাচ্ছে না শিশু-কিশোর ছাত্ররাও।

শুধু ধর্ষণ, বলাৎকার বা যৌন হয়রানিই নয়, অনেক সময় প্রমাণ লুকাতে হত্যা করা হচ্ছে ওই শিক্ষার্থীকে।

পিতৃতুল্য শিক্ষকদের এসব জঘন্য কর্মকাণ্ডে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকরা যেমন উদ্বিগ্ন, তেমনি বিব্রত আদর্শবান শিক্ষকরাও।



জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালের খবর পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত এক বছরে মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক কর্তৃক কয়েকশ ধর্ষণ, বলাৎকার ও যৌন হয়রানির ঘটনা সামনে এসেছে।

মাদরাসাগুলোকে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রন করার মতো শক্তিশালী তেমন সক্রিয় কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। আইনেও আছে ফাঁক । অনেক ছেলে শিশু বলাৎকারের শিকার হয়। এগুলোও ধর্ষণ। তবে আইনে সেগুলো ধর্ষণের সংজ্ঞায় পড়ে না।

আপনার মতামত লিখুনঃ
নিউজটি সেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল!
এই জাতীয় আরো সংবাদ







©২০১৩-২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা

Theme Customized By durjoybangla
বিজ্ঞপ্তি