13.7 C
New York
বুধবার, আগস্ট ৪, ২০২১

মুক্তাগাছায় কর্মসৃজন প্রকল্পে চেয়ারম্যান ও সচিবের অনিয়মের অভিযোগ। 

বিজ্ঞাপন

মোশাররফ হোসেন শুভ, ময়মনসিংহ:

বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার ৪নং কুমারগাতা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সরকার অতি হতদরিদ্রের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পের (ইজিপিপি) মাধ্যমে ৪০ দিনের কর্মসূচীর কাজ চালু করেছে। এ প্রকল্পে কাজ করে প্রত্যেক শ্রমিক দৈনিক হাজিরা বাবদ ২০০ টাকা করে ৪০ দিনে প্রকল্পকালীন ৮ হাজার টাকা পরিশ্রমিকের বিধান রয়েছে।

কিন্তু প্রকল্পে নির্ধারিত শ্রমিক থেকে কম সংখ্যক শ্রমিক দিয়ে দায়সারাভাবে ৪০ দিনের স্থলে ২০ দিন কাজ করানো এবং নিয়মানুযায়ী প্রতি সপ্তাহের মজুরী পরিশোধের কথা থাকলেও কাজ শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৬ মাস অতিবাহিত হলেও শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করা হয়নি। বাকি ২০ দিনের অবশিষ্ট শ্রমিকের মজুরি ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব ও প্রকল্পের সভাপতিগণ আর্থিকভাবে লাভের আশায় আত্মীয়-স্বজনের নামে মাষ্টার রোল তৈরী করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন। বিল উত্তোলন করে তা লুট করার পাঁয়তারা করছেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়টি নিয়ে ৪নং কুমারগাতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক আতীকুল হক মঙ্গল মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত আবেদন করেন।

মুক্তাগাছা উপজেলাধীন ৪নং কুমারগাতা ইউনিয়নের ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের কর্মসংস্থান কর্মসূচী তালিকা ভ’ক্ত শ্রমিকদের হাতে কাজের নিয়ম অনুসারে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জব কার্ড দেয়নি ও জব কার্ডের ভিত্তিতে মুঞ্জুরী না দিয়ে শ্রমিকদের নামের তালিকা ও জব কার্ডে মিথ্যা তথ্য লিখে এবং টিপসই জাল করে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ধার্যকৃত মেয়াদ পূর্ণ কাজ না করে ইউনিয়নের তালিকা ভ’ক্ত শ্রমিকদের ফাকি দিয়ে শ্রমিকদের নামের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনে করার জন্য ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বারতি বিলের জন্য উপজেলায় তালিকা প্রেরণ করেন।
এ ব্যাপারে শ্রমিকদের সাথে কথা বললে শ্রমিকরা জানান, আমরা ২০ দিন করে কাজ করেছি। ২০ দিন শেষ হলে এক সপ্তাহ কাজ বন্ধ রাখার কথা বলে আর কাজ করাননি। আমরা এখনো কোন টাকা পাইনি।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিয়ে ইউপি সচিব জিয়া উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি শুধু বিল প্রস্তুত করে দিয়েছি। বিলে আমার কোন স্বাক্ষর নাই। কত দিনের বিল করেছে আমি জানিনা। প্রকল্পের সভাপতি যারা আছেন তারাই জানেন।

ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: আকবর আলী সরকার বলেন, আমি জানিনা বিল জমা দিয়েছে কি না। সকল কিছু ইউপি সচিব সাহেব জানেন। আপনি উনার সাথে কথা বলেন তাহলে সকল তথ্য পাবেন।
এলাকাবাসী জানান, ইউনিয়নের কোন রাস্তায় সঠিক মত কাজ হয়নি। ১ ঘন্টা কাজ করলে মাথা দেখেছে ৪ ঘন্টা। যে রাস্তায় কর্ম সৃজনের কাজ হয়েছে সেখানেই আবার কাবিখার কাজ দেখানো হয়েছে। চেয়ারম্যান সাব খুব দান সীল ব্যক্তি ১% নের যে টাকা আছে সেই টাকাই বিভিন্ন জায়গায় দান করেছেন।
এ ব্যাপারে মুক্তাগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বার বার ফোন দিলেও কেটে দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

Please enter your comment!
Please enter your name here

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ সংবাদ

x