শ্রীপুর পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করতে চাই -এড, হারুন অর রশিদ ফরিদ

মোঃ নাজিম উদ্দিন গাজীপুর প্রতিনিধি:
আলহাজ্ব এডভোকেট  মোঃ হারুন অর রশীদ ফরিদ, পিতা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাদির মাস্টার, মাতা মৃত রোকেয়া বেগম, জন্ম- ০১/০১/১৯৭২, গ্রাম- কেওয়া পশ্চিম খন্ড, পোস্ট- মাওনা,  পৌরসভা ও উপজেলা- শ্রীপুর,  জেলা- গাজীপুর ।  ১৯৮৫ সালে শিক্ষা জীবনে অধ্যায়ণরত অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ ছাত্র লীগের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ ছাত্র লীগ মাওনা চৌরাস্তা আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ১৯৯২ সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হয়। একই বছরে শ্রীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সদস্য পদ লাভ করেন । পরবর্তীতে শ্রীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ।  শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের পর পর দুই বার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন । ধানমন্ডি ল কলেজ থেকে এল এল,বি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এম এ পাশ করে আইন পেশায় সম্পৃক্ত হয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী  হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন । ২০০১ সালে বিএনপি -জামাত ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র হিসাবে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী, বঙ্গবন্ধুর কন্যা, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ত্রিশ লক্ষ শহীদ পরিবার ও স্বাধীনতার পক্ষের একমাত্র আশা আকাঙ্ক্ষার ভরাস্থল গনতন্ত্রের মানষ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ  জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা     মিথ্যা মামলার বিরূদ্ধে  সোচ্চার হয়ে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হক, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, এডভোকেট সাহারা খাতুন, এডভোকেট মোঃ রহমত আলী, আব্দুল মতিন খসরু ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপসের  জুনিয়র আইনজীবী  হিসাবে আইনি লড়াই চালিয়ে যান। এরপর ১/১১এর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী  শেখ হাসিনাকে
কারারুদ্ধ করার পর যখন অনেক  সিনিয়র আইনজীবী ও নেতৃবৃন্দ জীবন শংকায় শংকিত হয়ে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে চলতেন তখন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হক,  ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও এডভোকেট মোঃ রহমত আলী সহ সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে কনিষ্ঠ আইনজীবী হিসাবে বহু প্রতিকূল পরিবেশে আইনি লড়াই চালিয়ে যান । তৎকালীন সরকারের বিশেষ বাহিনীর হুমকি ধামকি ও প্রাণ শংকা উপেক্ষা করে প্রাণপ্রিয় নেত্রীর মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য অন্যান্য বিজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে শেষ পযর্ন্ত সম্পৃক্ত থাকেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধে  শহীদের সংখ্যা নিয়ে ও স্বাধীনতাকে  বিব্রত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ায় শহীদ পরিবার ও জাতীর পক্ষ থেকে ষড়যন্ত্র কারী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রোহী মামলার অন্যতম সাক্ষী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন।
পাশাপাশি শ্রীপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থায় এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উচ্চ মাত্রায় পৌঁছানোর লক্ষে পিয়ার আলী বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য হিসাবে গুরু দায়িত্ব পালন করা কালে শিক্ষার গুনগত ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে ঐতিহ্য বাহী মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়ন অব্যাহত  রেখে চলেছেন।  । এছাড়াও এলাকার রাস্তা ঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্বেচ্ছসেবী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখে যাচ্ছেন।
এ সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ জনগণের আস্থার প্রতিক হিসাবে শ্রীপুর পৌরবাসী  উনাকে মেয়র হিসাবে দেখতে চায় । এলাকার জনসাধারণের সাথে একাত্ব হয়ে শিক্ষিত ও কর্মঠ এই ব্যাক্তিকে শ্রীপুর পৌরসভার সর্ব মহল থেকে মেয়র হিসাবে প্রত্যাশা  করে ।
ছাত্র রাজনীতি শেষে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও কেন্দীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম সাহেবের  হাত ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সহ-সম্পাদক হিসাবে রাজনীতিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন । এমন বনার্ঢ্য সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন বিবেচনায় সুধী মহল জনকল্যাণ কর যে কোন দায়িত্বে যোগ্য মনে করে শ্রীপুর পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করার জন্য মেয়র হিসাবে মোঃ হারুন অর রশীদ ফরিদকে পৌর মেয়র হিসাবে দেখতে চান।

আপনার মতামত লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here