13.7 C
New York
মঙ্গলবার, আগস্ট ৩, ২০২১

সংঘাত সৃষ্টি না হয় সেই দিকে সম দৃষ্টি রাখবেন বান্দরবান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান দুই পক্ষের প্রত্যাশা!

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বিজ্ঞাপন

বান্দরবান সদর উপজেলার ৪নং সুয়ালক ইউনিয়নের-৩১৪ নং-মৌজার সুলতানপুর এলাকায় আব্দুল হাকীম (হাকীম আলী গং) বনাম আবু বক্কর গং এর র্দীঘ ৫০বছরের জায়গা সংক্রান্ত জটিল সমস্যা সমাধানের লক্ষে বান্দরবান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এক.এম জাহাঙ্গীর সাহেব উভয় পক্ষের জায়গা ৫জুন/২১ইং জায়গা পরিমাপ করার সিদ্ধান্ত হয়,সিদ্ধান্ত মোতাবেক জায়গা পরিমাপ করা জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান উপস্থিত হয়ে জায়গা পরিমাপ করা শুরু করলে অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারনে সেইদিন আর জায়গা পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি,পরবর্তি সপ্তাহে ১১জুন শুক্রবার পুণরাই তারিখ নির্ধারণ করা হয়,নির্ধারিত তারিখের দিন শুক্রবার সকলের উপস্থিতিতে সকাল থেকে সার্ভিয়ারগণ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একে.এম জাহাঙ্গীর সাহেব এর নির্দেশক্রমে বির্তকিত জায়গার পরিমাপ করা শুরু করেন,

বিজ্ঞাপন

উভয়ের জায়গা কার দখলে কতটুক পরিমাণ রয়েছে তা পরিমাপ করার কথা তাকলেও সেটা পরিমাপ না করে শুধু লোক দেখানো জন্য রাস্তার পাশের জায়গায় ফিতা টেনে ৫৬০ফিট জায়গা পরিমাপ করে চেয়ারম্যান বলেন এখানে ৬একর ২১ শতক জায়গা আছে,জায়গার সীমানা চিহ্নিত করার জন্য সীমান পিলার দেওয়ার কথা বলে চলে আসেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, এর পরের দিন হাকীম আলী গং শুধু আবু বকর গং এর জায়গায় যথাক্রমে ১-আবু বক্কর,

২-এনায়ত হোসেন (প্রখাশ সজল মাস্টার), ৩-কবির হোসেন,৪-বিলকিছ বেগম,৫-মুহাম্মদ আলী,৬-আব্দুল হামিদ,৭-বাদশা মিঞা,৮-মন্জুর আলম, ৯-মো: আবু তাহের,১০-মোঃ সেলিম প্রমুখ। পিলার দিতে গেলে এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ মারমুখি অবস্থান নেন,উভয় পক্ষ সদর উপজেলা চেয়াম্যানের স্রনাপন্ন হউন। আবু বক্র প্রতিবেদককে জানান,

বিজ্ঞাপন

আমি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার পথে সুয়ালক শিকদার পাড়ায় উনার স্বাক্ষাতে আমার জায়গার পিলার দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করার সময় উনি আমাকে রাগান্নিত স্বরে গালাগালি করে মারার জন্য তেরে আসেন, এর পর সুলতানপুর ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্দুল হাকীম এর পক্ষ নিয়ে আবু ব্কর গং এর জায়গায় পিলার দিতে আরম্ভ করেন,

তখন আমার স্ত্রী বাধাঁ দিলে চেয়ারম্যান আমার স্ত্রীকে ধাক্কা দিয়ে মাঠিতে ফেলেদেন,এর কিছুক্ষণ পওে আমি খবর পেয়ে ঘনাস্থলে গিয়ে আমার স্ত্রী কে ধাকা দেওয়ার বিষয়ে আমি প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যান আমাকে উচ্চ স্বরে বলে যা আমার বিরোদ্ধে মামলা করগা,আবু বক্কর প্রতিবেদককে আরো বলেন আমি একজন আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ কর্মী,

বিজ্ঞাপন

আর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আমার নেতা হয়ে কেন আব্দুল হাকীম রাজাকারের পক্ষ নেন।

আবু বক্কর গং এর জায়গার মালিকরা প্রতিবেদককে আরো বলেন, আমরা ভূমিহীন, আমরা আনেক বড় আশা নিয়ে জীবনের অনেকটা সময় অতিবাহিত করে সুলতানপুরে গাছ-পালা রোপন ও ঘরবাড়ি তৈরী করে পাহাড়ী জায়গা আবাব করেছি।

আমরা এখানে যারা জায়গা আবাদ করেছি তারা সবাই ভূমিহীন, আমাদের ভোগ দখলীয় সামন্য জায়গা হইতে আমাদের কে যেন কারো প্ররোচনায় উচ্ছেদ করা না হয়,আমরা বান্দরবান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একে.এম জাহাঙ্গীর স্যারের নিকট প্রাণের দাবি নিয়ে আকুল আবেদন করছি।

এমতাবস্থায় কাউকে উদ্যোশ্য প্রনীতভাবে ভোগ দখলীয় জায়গা হইতে অন্যায় ভাবে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করা হইরে আইন-শৃংখলা অবনতি এবং রক্তক্ষয়ি আশংকা বিদ্যমান।

উলেখ্য যে, উক্ত বির্তকিত জায়গা ও তার আশে পাশের জায়গা বন্দোবস্তির জন্য আবু বক্করের পিতা আব্দুল বারী সূত্র-বান্দরবান বন্দোবস্তি মামলা নং ৪৬১/১৯৭১-১৯৭২ সালে আবেদন করেন,আবেদনের পেক্ষিতে কিছু জায়গা বন্দোবস্তি পান,পরবর্তিতে আবু বক্কর বাকী সরকারী খাস জায়গা গুলো বন্দোবস্তী পাওয়ার জন্য বন্দোবস্তী মামলা নং-৭৩/২০০০খ্রি: এই বন্দোবস্তী মামলার পরিপেক্ষিতে ৮৭ দাগের আন্দরে ৫একরের আবেদনের পরিপেক্ষতে সুয়ালক মৌজার হেডম্যান ৩একর জায়গা খাস আছে মর্মে আবু বক্করকে প্রতিবেদন প্রদান করেন।

আরও পড়ুনঃ ফুলবাড়িয়ার বালিয়ান ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিজিএফ, জিআর ও কর্মসৃজন কর্মসূচির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

Please enter your comment!
Please enter your name here

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ সংবাদ

x