সবাই জানে! জানেনা যাদের জানার কথা

সবাই জানে! জানেনা যাদের জানার কথা

বদরুল আমীন, ময়মনসিংহঃ সোর্স ওবায়দুল এর ফিটিং মাদক মামলা, নিরিহ জনগনদের হয়রানি করে টাকা আদায়, অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে ফস্টিনস্টি করা, নিরিহ লোকজনদের মারধর করা, একথা এলাকার সবাই জানে , জানেনা শুধু প্রশাসন, যারা ব্যবস্তা নিবেন। যাদের জানার কথা। সত্যিই কি তারা জানে না? গত ১৭ সেপ্টম্বর সন্ধ্যা অনুমানিক ৭ ঘটিকায় ভাই ভাই হ্যাচারী থেকে জোর পূর্বক ওবায়দুল ও তার পিতা আবুল কাশেমসহ কতিপয় মহিলা মিলে রেজাউলকে অপহরন করে নিয়ে বেধরক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেছে। পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া ও অভিযোগের তদন্তকারি অফিসার আবুল কাশেম সঙ্গীয় পুলিশ ও মাদক মামলার আসামী কতিথ সোর্স বাবুলকে নিয়ে ঘটনাস্থল তদন্ত করেন। অথচ এখনো মামলাই হয়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেছেন তদন্ত চলছে। আর এস আই আবুল কাশেম বলেছেন, মামলা প্রকৃয়াধীন রয়েছে।



রাঘবপুর গ্রামে বা চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্ববার ও সাধারন মানুষ ওবায়দুলকে এক নামে এস আই নাজিম দারোগার সোর্স মাদক বিক্রেতা বলে চিনে। পর নারী আসক্তের কারনে তার এলাকার এক ছেলে স্ত্রীকে না ছাড়ায় ছেলের চাচা হারেজ আলী ও বাবা কফিল উদ্দীনকে পিটিয়ে ছিল। পরে সামাজিক ভাবে তা আপোষ হয়। রাঘবপুর গাং পাড়া হাবিব ও মজিবরকে নানা ভাবে হয়রানি করে ওবায়দুল। ওবায়দুল আইন প্রয়োগকারী একটি সংস্থার নামে বিভিন্ন জুয়ার বোড ও মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা তোলে।



শামসুন নাহারের চাচা হযরত আলী জানান, ওবায়দুলের কারনে শামছুন নাহার স্বামীর ঘর করেনি। আঃ হক ও তার দুই ছেলে বহুবার এসে নিতে চাইলে শামছুন নাহার যায়নি। শামছুন নাহার বেশীর ভাগ সময় ওবায়দুলের বাড়িতে থাকে।
সাবেক মেম্বার আব্দুস সালাম জানান, ওবায়দুল এলাকার সাধারন মানুষদের পুলিশ দিয়ে নানা ভাবে হয়রানি করেছে। এলাকার কেউ তার বিরুদ্ধে ভয়ে কথা বলেনা। যে কথা বলেছে, তাকেই পুলিশ দিয়ে ফাঁসিয়েছে।
একই এলাকার প্রবাসী জুয়েলকে পুলিশ দিয়ে ফাসানোর সময় র‌্যাব তাকে আটক করে মামলা ঠুকে দেন। দীর্ঘ সময় কারাবাস করে।



শফি মেম্বার জানান, আবুল কাশেমের মেয়ের বাড়ি ও ওবায়দুলের ভাইয়ের শশুর বাড়ি দশ নম্বর বাজারের পাশে পিতা পুত্র মিলে মাদক বিক্রী করতে গেলে জনগন আটক করে। এগুলো দারোগার মাল (মাদক) বলে প্রকাশ করলে আরো জনরোষে পড়েন তারা। পরে সফি মেম্বার তাদের ছাড়িয়ে আনেন।
কোতোয়ালী মডের থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুর ইসলাম পিপিএম দালালি করার কারনে তাকে থানা থেকে বের করে দেন।
এতোসব খবর সবাই জানে। জানেনা , যারা ব্যবস্থা নিবেন?

আরো পড়ুন>> জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে চসিক প্রশাসকের বৈঠক

আপনার মতামত লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here