হিন্দু মেয়েকে কাবিন ছাড়া বিয়ে!

দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী পিআইসি’র বাঘার চর মধ্য পাড়া গ্রামের নুরুজ্জামানের পুত্র ইব্রাহীম ঢাকা আশুলিয়ার রংধনু তারেক মাষ্টারের বাড়ীতে ভাড়া থাকতে একই ফ্যাক্টরীতে চাকরীর সুবাদে সিরাজগঞ্জ চিলগাছা গ্রামের হত দরিদ্র হিন্দু শ্রী বুদ্ধ কুমারের বড় মেয়ে কনিকা রানী দাসের সাথে পরিচিত হন।

গত দু বছর আগে ইব্রাহীমের স্ত্রী দ্বিতীয় সন্তান প্রসব করতে বাড়ী আসলে কৌশলে ফুসলিয়ে কোর্টের এফিডেফিট বা রাষ্ট্রীয় কাবিন বিহীন এলাকার হুজুর দ্বারা কালেমা পড়িয়ে বিবাহ করেন কনিকা রানী দাসকে। বর্তমান নাম আয়েশা সিদ্দিকা। গত দুই বছর স্বামী স্ত্রী এক ছাদের নিচে বসবাস করে আসলেও নিজ বাড়ীতে ব্যপারটি গোপন রাখে ইব্রাহীম । আনন্দ ফুর্তির দোহাই দিয়ে পর পর দুটি বাচ্চা নষ্ট করতে বাধ্য করে এই নব বধুকে। তৃতীয় সন্তান গর্ভে এলে অসুস্থ অবস্থায় ফেলে পালিয়ে আসে নিজ বাড়ী বাঘার চরে। কনিকা (আয়েশা) বাড়ী অন্য ভাড়াটিয়ার সহায়তায় ইব্রাহীমের গ্রামের বাড়ির ঠিকানায় পৌছালে প্রথমে তাকে অস্বীকার করলেও স্থানীয়দের মাধ্যমে মেনে নেয় তার পরিবার।



এতেই শেষ নয়। হিন্দু থেকে মুসলমান হওয়ার এফিডেফিড বা কাবিন করতে নারাজ ইব্রাহীমের পরিবার। ২২অক্টোবর এলাকা বাসীর চাপে জামালপুর জেলা জজ কোর্টে গেলেও আইনত স্বীকৃতির কোন কাজই করেনি তারা। প্রাক্তন ইউপি সদস্য মোস্তাক আহমেদ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন ইব্রাহীম মেয়েটার সাথে চালাকি করে কাবিন বা কোর্টে এফিডেফিট করেনাই। জনমনে প্রশ্ন কিছু দিন পর নও মুসলিম মেয়েটির ভাগ্যে কি আছে?

আরো পড়ুন>> সন্ত্রাসী হামলায় আহত যুবলীগ নেতার চিকিৎসার নেন- নদভী

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

Please enter your comment!
Please enter your name here