1. durjoybangla24@gmail.com : durjoy bangla : durjoy bangla
  2. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Afjal Sharif : Afjal Sharif
  3. aponsordar122@gmail.com : Apon Sordar : Apon Sordar
  4. awal.thakurgaon2020@gmail.com : abdul awal : abdul awal
  5. sheblikhan56@gmail.com : Shebli Shadik Khan : Shebli Shadik Khan
  6. jahangirfa@yahoo.om : Jahangir Alam : Jahangir Alam
  7. mitudailybijoy2017@gmail.com : শারমীন সুলতানা মিতু : শারমীন সুলতানা মিতু
  8. nasimsarder84@gmail.com : Nasim Ahmed Riyad : Nasim Ahmed Riyad
  9. netfa1999@gmail.com : faruk ahemed : faruk ahemed
  10. mdsayedhossain5@gmail.com : Md Sayed Hossain : Md Sayed Hossain
  11. absrone702@gmail.com : abs rone : abs rone
  12. sumonpatwary2050@gmail.com : saiful : Saiful Islan
  13. animashd20@gmail.com : Animas Das : Animas Das
  14. Shorifsalehinbd24@gmail.com : Shorif salehin : Shorif salehin
  15. sbskendua@gmail.com : Samorendra Bishow Sorma : Samorendra Bishow Sorma
  16. swapan.das656@gmail.com : Swapan Des : Swapan Des
৭ই মার্চের ভাষণ বাঙ্গালীর মুক্তি ও স্বাধীনতার সনদ–ড.রফিকুল ইসলাম তালুকদার - durjoy bangla | দুর্জয় বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরকাদিম পৌরসভার নগর কসবা গ্রা‌মের বিশিষ্ট সমাজ আলহাজ্ব গিয়াসউদ্দিন মুন্সী আর নেই টঙ্গীবাড়ীতে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ ইসলামপুরের চরপুটিমারী বিট পুলিশিং কার্যক্রম উদ্বোধন। সবুজায়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাড়ীর আঙ্গিণায় ৫টি করে বৃক্ষরোপন করুন সমাজকল্যান প্রতিমন্ত্রী কলমাকান্দায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক আজ খুলছে সুপ্রিমকোর্ট ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসমুদ্রবন্দরকে কক্সবাজারের এসপি-ওসির বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছেন সাংবাদিক মোস্তফার স্ত্রী বন্ধ হচ্ছে আজ থেকে স্বাস্থ্য বুলেটিন




৭ই মার্চের ভাষণ বাঙ্গালীর মুক্তি ও স্বাধীনতার সনদ–ড.রফিকুল ইসলাম তালুকদার

দুর্জয় বাংলা ডেস্কঃ
  • শনিবার, ১০ মার্চ ২০১৮, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
  • ১০৭৪ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি।।

মহান ৭ই মার্চ উপলক্ষে ৭ই মার্চ ২০১৮ সুনামগঞ্জ জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহ্বায়ক এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনে  বাংলাদেশ  আওয়ামী লীগের মনোনয়ন  প্রত্যাশী ড. রফিকুল ইসলাম তালুকদার তার টাইম লাইনে “৭ই মার্চের ভাষণঃ মুক্তির ও স্বাধীনতার সনদ” শিরোনামে এই প্রবন্ধটি লিখেন, যা দুর্জয় বাংলা প্রকাশ করছে  ।

৭ই মার্চের ভাষণই হল বাঙালির মুক্তির ও স্বাধীনতার সনদ। বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং কালজয়ী রাজনৈতিক দিক নির্দেশনা। “…আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, …প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশা-আল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।”

পাকিস্তান জন্মের পর থেকে বাঙালির স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত ২৪ বছরব্যাপী চলতে থাকে অপরিমেয় দুনীর্তি ও স্বজনপ্রীতি এবং বাঙালির প্রতি বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রশাসনিক, সামরিক, অথনৈতিক, শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সব ক্ষেত্রে এবং বিশেষভাবে রাজনৈতিক অনাচার ও বৈষম্য ছিল সীমাহীন।

এপ্রেক্ষিতে পূর্বাঞ্চলের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্রমাগতভাবে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করেন। তাঁর দূরদর্শী, সাহসী ও অবিসংবাদিত নেতৃত্বে ৫৮এর আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন ও ৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন থেকে ৬৯ সালে বিশাল গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই ৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভের মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধু অবিসংবাদিতভাবে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা নির্বাচিত হন।

নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী ক্ষমতা হস্তান্তর করতে টালবাহানা করা পূর্ব বাংলার জনগণ মেনে নিতে পারেনি। তারা ভিতর থেকে মুক্তির তাড়না অনুভব করেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনার প্রতীক্ষা করেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি বাংলার মানুষের আস্থা, ভালবাসা ও বিশ্বাস ছিল অগাদ। তাঁর বলিষ্ঠ ও সম্মোহনী নেতৃত্বে মানুষ এতটাই অনুপ্রাণিত ছিল যে তিনি চাইলে লাখ লাখ মানুষ দেশের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, জাতীয় পরিষদের নির্ধারিত অধিবেশন মুলতবি হয়ে যাবার পর বাঙালিদের অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে ৩রা মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে আসার পরিবর্তে সামরিক বাহিনীর লোক ও অস্ত্রশস্ত্র বহন করার কাজে পাকিস্তান বিমানগুলোর নিয়োজিত থাকা নিয়ে সামান্য উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এর পরপরই বাঙালি সেনারা কয়েকবার শেখ মুজিবের সঙ্গে দেখা করে মুক্তিসংগ্রামের নির্দেশ চেয়েছেন।

সামরিক বিশ্লেকদের মধ্যে যারা ৩রা মার্চ বা ৭ই মার্চই স্বাধীনতার চূড়ান্ত ঘোষণা না দেয়া নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা করেন, তারাও স্বীকার করেন শেখ মুজিবুর রহমান এতটাই মানুষের আস্থাভাজন নেতা ছিলেন যে তিনি ৭ই মার্চ উপস্থিত রেসকোর্স ময়দানে জনসমুদ্রকে নির্দেশ দিলে হাজার হাজার প্রাণের বিনিময়ে হলেও ঢাকা সেনানিবাস দখল করা সম্ভব হত। এর বাইরে যারা সমালোচনা করেন তারা নিচ, হীন, মূর্খ, সীমাহীন ঔদ্ধত্য এবং সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থান্যাসী ইতিহাস বিকৃতিকারী গোষ্ঠী।

বাংলার মানুষের তাঁর প্রতি অগাদ আস্থা বঙ্গবন্ধুকে আরও দায়িত্বশীল করে তোলেন। যদিও কোন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের দূরদর্শীতা ও প্রাজ্ঞতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই, সব সামরিক বিশ্লেষকের পক্ষে এটা বুঝা সম্ভব নয় যে তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের এবং বাংলার মুক্তির অবিসংবাদিত সংগ্রামী নেতা। পাকিস্তানের শেকল ভাঙতেই ছিল তাঁর সারা জীবনের সংগ্রাম। তবে অনিবার্য না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেটা করতে চেয়েছিলেন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায়। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিকভাবে মুক্তির শেষ বিন্দু পর্যন্ত চেষ্টা করেন এবং বাংলার জনগণকে বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা দেন ও বিপর্যয় অনিবার্য হলে মোকাবেলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলেন। তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণই হল বাঙালির মুক্তির ও স্বাধীনতার সনদ। বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং কালজয়ী রাজনৈতিক দিক নির্দেশনা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ‘ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তি’ বাঙালি জাতির জন্য নিঃসন্দেহাতীতভাবে অনেক গর্বের বিষয়। পাশাপাশি ড. জাফর ইকবালের কথা খুবই প্রাসঙ্গিক, সময়োপযোগী ও প্রাজ্ঞ। গত ১৮ই নভেম্বর ২০১৭ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন যে, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কোও সম্মানিত হয়েছেন, তারাও দাবি করতে পারবেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণটি তাদের কাছে আছে। জাফর ইকবাল আরও বলেন যে, পৃথিবীতে অনেক সুন্দর সুন্দর বক্তব্য আছে। কিন্তু সেগুলো লিখিত। লিখে নিয়ে এসে এসব বলে গেছেন বক্তারা। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ ছিল অলিখিত। অবশ্যই এটি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণ এবং ইতিহাসের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দলিল।

বঙ্গবন্ধুর বিচক্ষণতায়, ৭ই মার্চের অনুপ্রেরণায় এবং তাঁর মহান নেতৃত্বে বাঙালি হেঁটে গেছে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ও ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের সূর্য দীঘল পথে। আজ ৭ই মার্চ ২০১৮ আমাদের প্রতিশ্রুতি হোক বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ থেকে, তাঁর যাপিত জীবন ও রাজনৈতিক আদর্শ থেকে শিক্ষা নেয়া এবং তাঁর মহান ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টাকারীদের প্রতিহত করা। আরও প্রতিশ্রুতি হোক সুখীসমৃদ্ধ দেশ গঠনে এবং শোষণহীন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে আত্মনিয়োগের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

লেখক:  গবেষক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও আহ্বায়ক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, সুনামগঞ্জ জেলা, এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী।

আপনার মতামত লিখুনঃ
নিউজটি সেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল!
এই জাতীয় আরো সংবাদ
durjoybangla.com







©২০১৩-২০২০ সর্বস্তত্ব সংরক্ষিত | দুর্জয় বাংলা

কারিগরি সহযোগিতায় দুর্জয় বাংলা