শুক্রবার ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

দুর্জয় বাংলা || Durjoy Bangla

স্বপ্নকে বাঁচাই: দুঃস্বপ্নের হাত থেকে বাঁচি

সমাজ

প্রকাশিত: ০৯:৩০, ২২ এপ্রিল ২০২৩

স্বপ্নকে বাঁচাই: দুঃস্বপ্নের হাত থেকে বাঁচি

স্বপ্নকে বাঁচাই দুঃস্বপ্নের হাত থেকে বাঁচি

রাতে দেখা স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে খুব ভোর বেলায় ইমাম সাহেবের বাড়ির দিকে হন্তদন্ত দৌড়াচ্ছেন, এমন লোক আজকাল খোঁজে পাওয়া ভার। অথচ গ্রীক বীর আলেকজাণ্ডার তার দলে সময়ের শ্রেষ্ঠ স্বপ্ন ব্যাখ্যাকার নিয়োজিত করতেন। টায়ার নগরী জয়ের পূর্বে আলেকজাণ্ডার দ্বিধায় ছিলেন আক্রমণে যাবেন কিনা। কিন্তু এক রাত্রে তিনি স্বপ্নে দেখলেন ছাগমানব দেবতা স্যাটার বিজয়নৃত্য করছেন। স্বপ্নভাষ্যকারেরা ব্যাখ্যা দিলেন আলেকজাণ্ডার দেবতার বিজয় নৃত্য দেখেছেন,  তার মানে টায়ার যুদ্ধে বিজয় সুনিশ্চিত। সম্রাট তার বাহিনীকে আবার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন এবং যুদ্ধে জয়ী হলেন।

স্বপন দেখার যুগ বোধ হয় শেষ হয়ে এসেছে। মানুষ স্বপ্নের সংজ্ঞা পাল্টে নিয়েছে। দিবাস্বপ্ন, নিশুতি রাতের স্বপ্ন গিলে খেয়েছে ঘুমের বড়ি আর ইন্টারনেট। গুগলে সার্চ দিলে মর্জিনার বাড়ির অন্দরমহলের খবর জানা যায়। ঘুম আসার আগেই ভিডিওকলে প্রিয়জনের সাথে ফেসলীলা সারা যায়। ঘুমিয়ে দেখার আর কী রইল বাকি ?

খোয়াব বা স্বপ্ন দেখে বিচলিত, আন্দোলিত হননি এমন মানুষ মেলা ভার ছিল মাত্র কয়েক যুগ আগে। এখন চেইন শপের নাম স্বপ্ন। স্বপ্নের দোকানে বিক্রি হচ্ছে আম আর জলপাইয়ের আচার। পঁচা ডিম থেকে নাকফুল যে দোকানে বিক্রি হয় তার নাম স্বপ্ন। ঘুমঘোরে দেখা স্বপ্নের বড় দুঃসময় এসেছে। স্বপ্নের সাথে সংযুক্ত মানুষগুলো মরে যাচ্ছে, ক্ষয়রোগী কাঁঠালগাছের মত। এক ডাল, পাঁচ পাতা, কাণ্ডের ছিদ্র এভাবেই মরছে। বেঁচে আছে, কিন্তু মৃত।

সবকিছুর স্থায়িত্ব নির্ভর করে তার সফলতা ও ব্যর্থতার উপর। স্বপ্ন কার্য্যকারিতা হারিয়েছে, দ্রুতগতির যোগাযোগব্যবস্থার কাছে। মাঝরাতে পিতৃবিয়োগের দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে ওঠা বধুর ঘুম আর আসেনি। কতদিন বাবাকে দেখেনি। সেই বাবাই ঘুমের ঘুরে মরে গেল। বিলাপ শুধুই বিলাপ। আশেপাশের সবাই জেগে ওঠেছে এক স্বপ্নের কারণে। রাত শেষ হতেই চায় না। ভোর না হলে বাপের বাড়ির দিকে রওয়ানা হওয়ার উপায় নেই। শাশুড়ি বুঝান, কাঁদিস না বউ। নিজের বাপ মরতে দেখছ, নিশ্চই এটা বিফল হবে। মুরুব্বিরা বলে গেছেন, নিজের ক্ষতি স্বপ্নে দেখলে নিজের ক্ষতি হয় না । হয় শত্রুর ক্ষতি। স্বামী পরামর্শ দেয়, এ স্বপ্ন ফলতেই পারে না। মাঝরাতে দেখা স্বপ্ন আজপর্য্যন্ত সত্যি হতে শুনেনি সে। তবে শেষ রাতে দেখলে অবশ্যই সত্য হত। এত মূল্যবান স্বপ্নের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে মোবাইল ফোন। কাঁদার সুযোগ কই ? মন চাইলেই বধু ফোন দেয়, বাবা তুমি কই? প্ল্যানচেট বাদ দিয়ে মরা বাপের সাথে কথা বলার যন্ত্র কোন কারিগর বানিয়ে ফেলেছে কে জানে!

স্বপ্নের মৃত্যুর সাথে মরে গেছে স্বপ্নের ব্যাখ্যাকার আর ফায়সালাকারীরা। খ্রিষ্টপূর্ব সময় থেকে শুরু হওয়া পেশা পথে বসে গেল প্রযুক্তির ধ্বাক্কায়। জিতু পীরেরা পেশা পাল্টাতে বাধ্য হল। কোর্ট পয়েন্ট কিংবা ব্যস্ত জনপদে বসে ভবিষ্যতের স্বপ্ন বিক্রি করা মানুষগুলোর স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ হয়ে গেল। খাবারের অভাবে মরল কথা বলা টিয়া। ভাগ্যলিপি লেখা কাগজগুলো একে একে হারিয়ে গেল শীতের ঝরা পাতার মত। গণৎকারের সুরমা দেয়া চোখ,তেল চিটচিটে বিছানা চাদর, বয়েসি রেনট্রি গাছের ছায়া সবই হাওয়া।

স্বপ্নগুলো বেঁচে থাকার দরকার। সুখের স্বপ্ন, দুঃখের স্বপ্ন। আলু পটলের স্বপ্ন। জীবনের স্বপ্ন। জীবিকার স্বপ্ন। মৃত্তিকার স্বপ্ন। মৃত্যুর স্বপ্ন। মিলনের স্বপ্ন। বিরহের স্বপ্ন। প্রাপ্তির স্বপ্ন। বঞ্চনার স্বপ্ন। স্বপ্নের স্বপ্ন।

স্বপ্ন শুধু প্রযুক্তির কাছে হারেনি , স্বপ্নের চরম অবহেলা করেছেন সমাজবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী আর আধুনিক দার্শনিকেরা। উনড্ (undt), জোডল (jodl) এর মত দার্শনিক স্বপ্ন এবং জাগ্রত চিন্তা প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রভেদ দেখিয়েছেন কেবল স্বপ্নকে বাস্তবের তুলনায় হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য।

অ্যারিস্টটল স্বপ্নের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে “ ঘুমের আভ্যন্তরীণ মানসিক জীবন হচ্ছে স্বপ্ন, যার জাগ্রত জীবনের সঙ্গে যেমন কিছু মিল আছে, তেমনি পার্থক্য আছে প্রচুর। স্বপ্ন- ঘুম আর জাগরণের এক অন্তর্বর্তী অবস্থা।” স্বপ্নের জীবন আছে। হোক না তা ক্ষণকালের। স্বপ্নকে তাচ্ছিল্য করা আর জীবনকে অবহেলা করা সমান কথা,সমান ব্যথা।

সিগমুণ্ড  ফ্রয়েড, মনোঃসমীক্ষণে যার নাম অবিষ্মরণীয়। ফ্রয়েড বলেন,“ মনে হয় যেন আমরা প্রাপ্তবয়স্করা বহির্জগতকে পুরোপুরি মেনে নিতে পারিনি, যেন আমাদের অস্তিত্বের এক তৃতীয়াংশ এখনো পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেনি। প্রত্যেকদিন ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠে যেন আমাদের মনে হয়, এখনই জন্মালাম। স্বপ্ন কোন কোন মানুষের মতই একবার দেখা দিয়ে আর ফিরে নাও আসতে পারে অথবা একই ব্যক্তি,একই স্বপ্ন, বারবার একই চেহারায় কিংবা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় দেখতে পারেন।”

বাস্তবে পূরণ হওয়ার নয় এমন বাসনা মানুষ স্বপ্নেই পূরণ করুক। অবাস্তব হলেও স্বপ্নে বাঁচুক। স্বপ্নকে বাস্তবে ফলাতে পারলে  তা সোনায় সোহাগা।

প্রগতিবাদীদের বলি, স্বপ্নদের মারবেন না। স্বপ্নরা বেঁচে থাক মানুষের মাঝে। রোবট স্বপ্ন দেখতে পারে না। মানুষ আর রোবটের পার্থক্য করে দিবে স্বপ্ন। শীতের রাতে গরম লেপের ওমে দেখা স্বপ্ন। স্বপ্নরা বেঁচে থাক স্বপ্নের মধ্যে। পাতাকুড়ানি মেয়ে বড়বাড়ির আদুরে মেয়ের ঝুমকা দেখে আপসোস করবে আর রাতে স্বপ্নে দেখতে পাবে, স্বর্গ থেকে নেমে এসে তার মৃত মা তার কানে দামি ঝুমকো পরিয়ে দিচ্ছে , আদরে সোহাগে ভরিয়ে দিচ্ছে বুক। সে সারা গ্রাম ঘুরে ঘুরে সবাইকে দেখাচ্ছে তার ঝুমকা। সবাই অবাক হয়ে দেখছে পাতাকুড়ানির মেয়ে এত সুন্দর ঝুমকা পরেছে। প্রিয় বিজ্ঞানীরা পাতাকুড়ানি মেয়ের প্রিয় স্বপ্নকে নির্জ্ঞান চিন্তা বলে উড়িয়ে দিবেন আপনারা ? সজ্ঞান চিন্তায় কয়জন পাতাকুড়ানির স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন আপনারা?

ফ্রয়েড বলেন,“ শিশু তার জীবনে কোন ছেদ পছন্দ করে না। সে সব সময় কিছু না কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চায়। এ জন্যেই সে ঘুমায় না। এজন্যেই শিশুর ঘুমে ব্যাঘাতসৃষ্টিকারী মানসিক উদ্দীপনা হচ্ছে তার অতৃপ্ত ইচ্ছা, আর তারই প্রতিক্রিয়া হচ্ছে তার স্বপ্ন। স্বপ্ন ঘুমকে প্রহরা দেয়, বাঁচায় বিঘ্নসৃষ্টিকারী প্রভাব থেকে। ভাল ঘুমের জন্যে আমরা স্বপ্নের কাছে ঋণী। স্বপ্ন আমাদের ঘুমে হয়তো কিছুটা বিঘ্ন ঘটায়, যেমন রাতের পাহারাদার রাস্তায় সশব্দে পাহারা দেয়ার সময় তা ঘটায়।” তাই স্বপ্নরা বেঁচে থাক রাতের পাহারাদার হয়ে।

অর্ঘ্যর শতবর্ষী ঠাকুমার চোখের দিকে তাকান। এখনো স্বামীর পথ চেয়ে বসে আছেন। যম দরজায় এসে কড়া নাড়ছে। শোনার সময় কই ? নাতনির বিয়ে দেখতে হবে। ছেলেপুলে দেখতে হবে। আর কত স্বপ্ন। বিধবা হয়েছেন বিশ বছর বয়সে। চোট্ট দুটি ছেলেকে নিয়ে ভাঙ্গা কুঁড়ে ঘরে বিধবা যুবতি। মৃত্যুর পরদিন রাতেই হাজির অখিলের বাপ। ডরাইওনা বউ। আমি আছি তুমার সাথে ছায়ার মত। কারো ছলনায় ভুলিও না। আমার ছেলে দুটিকে বড় কর। কাজ শেষ হলে আমার কাছে নিয়ে আসব তুমাকে।

অখিলের বাপকে সঙ্গী করেই কাটিয়ে দিলেন জীবন। সংগ্রামী জীবন। বাজারে মুড়ি বিক্রি করেছেন। পাহাড় থেকে কাঠ কেটে এনেছেন। লোভী জোঁকের মুখে চুনকালি দিতে পেরেছেন অখিলের বাপের সান্নিধ্যেই। রাতের কথা দিনে গল্প করলে পাড়াপড়শি হাসত। আজ পঁচানব্বই বছর বয়সে একই গল্প বলছেন বিরজা দেবী। বাজারে মুড়ি বিক্রি করে ফিরতে ফিরতে রাত অনেক হয়ে গেল। আজ বিক্রি ভাল হয়েছে। শীতের দিন পৌষের মাঝামাঝি। বোয়াল মাছের আমদানী বেশি বাজারে। শীতের বোয়াল খুব মজার। দুই আনা দিয়ে বড় একটি বোয়াল কিনলেন। ছেলে দুটি ঘুমিয়ে পড়েছে। তাদের ডেকে তুললেন। রান্না বসিয়েছেন। গোয়ালগাদা শীম আর বোয়াল মাছের তরকারি। টের পেলেন দরজায় দাঁড়িয়ে অখিলের বাপ। কি রান্দ বউ? বিরজা জবাব দেন, জিগাইয়া কিতা লাভ ? একদিনতো আর খাইলা না। অখিলের বাপ বলেন, কে কইল খাই না। তুমরার খাওয়াই আমার খাওয়া। স্বামী স্ত্রীর আলাপ চলে, ছেলেরা টের পায় না। পাড়া প্রতিবেশি টের পায় না। বাজে ইঙ্গিত করে। বিরজা এসবে পাত্তা দেন না। যে স্বপ্ন তাকে বাঁচিয়ে রাখে, তার বৈধতা অবৈধতায় তার কী আসে যায় ? স্বপ্নের কারণেই দুর্দিন পার করে এসেছেন বিরজা। তাই পঁচিশে যা ছিলেন পঁচানব্বইতেও তা আছেন বিরজা। শরীর যন্ত্রের কলকব্জা নড়বড় হয়েছে । মনে চিড় ধরেনি এতটুকুও। তার পুরোটাই কৃতিত্ব তিনি দিচ্ছেন স্বপ্নকে।

ফ্রয়েড বলেন, “ যখন কারোও প্রিয়জন বিয়োগ হয়, দেখা যায় যে তার বহুদিন পর সে একটি বিশেষ ধরণের স্বপ্ন দেখে, যাতে প্রিয়জন বিয়োগের চেতনা আর মৃত প্রিয়জনকে ফের জীবনে ফিরিয়ে আনার ইচ্ছের ভেতর একটি খুবই উল্লেখযোগ্য আপোস ঘটানোর প্রতিক্রিয়া থাকে। আমরা কখনও এসব স্বপ্নকে অর্থহীন বলতে পারি না।”

আসুন স্বপ্নকে বাঁচাই: দুঃস্বপ্নের হাত থেকে বাঁচি

আরও পড়ুন: দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএমইউজে

রম্যলেখক

শীর্ষ সংবাদ:

ঈদ ও নববর্ষে পদ্মা সেতুতে ২১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা টোল আদায়
নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে: প্রধানমন্ত্রী
কলমাকান্দায় মোটরসাইকেলের চাকা ফেটে তিনজনের মৃত্যু
র‌্যাব-১৪’র অভিযানে ১৪৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক
সবার সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করুন: প্রধানমন্ত্রী
ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত প্রকৃতি কন্যা জাফলং ও নীল নদ লালাখাল
কেন্দুয়ায় তিন দিনব্যাপী ‘জালাল মেলা’ উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী চড়কসহ গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত
কেন্দুয়ায় আউশ ধানের বীজ বিতরণ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত
কলমাকান্দায় দেশীয় অস্ত্রসহ পিতাপুত্র আটক
ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রামগঞ্জে জ্বালানি চাহিদা পূরণ করছে গোবরের তৈরি করা লাকড়ি গৃহবধূরা
ফুলবাড়ীতে এসিল্যান্ডের সরকারি মোবাইল ফোন নম্বর ক্লোন চাঁদা দাবি: থানায় জিডি দায়ের
ফুলবাড়ীতে সবজির দাম উর্ধ্বমূখী রাতারাতি দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ ভোক্তা
ধর্মপাশায় সরকারি রাস্তার গাছ কেটে নিলো এক শিক্ষক
সাঈদীর মৃত্যু নিয়ে ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেয়ায় রামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা বহিস্কার
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন
মসিকে ১০ কোটি টাকার সড়ক ও ড্রেনের কাজ উদ্বোধন করলেন মেয়র
কলমাকান্দায় নদীর পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ-বেত শিল্প
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক যতীন সরকারের জন্মদিন উদযাপন
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ যতীন সরকারের ৮৮তম জন্মদিন আজ
১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে এমএলএম mtfe বন্ধ
কলমাকান্দায় পুলিশের কাছে ধরা পড়লো তিন মাদক কারবারি
আটপাড়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০৩ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
নকলায় ফাঁসিতে ঝুলে নেশাগ্রস্থ কিশোরের আত্মহত্যা
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলামের রাজনৈতিক জীবনের ইতিহাস
কলমাকান্দায় আগুনে পুড়ে ২১ দোকানঘর ছাই

Notice: Undefined variable: sAddThis in /home/durjoyba/public_html/details.php on line 809