ভোরে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুর্দান্ত ছন্দে ছিল বর্তমান কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে শেষ ম্যাচে হারের মুখ দেখেছে লিওনেল স্কালোনির দল। এরপরও লাতিন অঞ্চলের বাছাইপর্বে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
অন্যদিকে, নভেম্বরে ফিফা উইন্ডোতে ব্রাজিলের শেষ ম্যাচ ড্র হওয়ায় তাদের ছন্দেও ছেদ পড়েছে। বছরের শেষ ম্যাচে দুই দলেরই লক্ষ্য ঘুরে দাঁড়ানো। এমন প্রেক্ষাপটে বুধবার ভোরে চলতি বছরের শেষ বাছাইপর্বের খেলায় মাঠে নামবে লাতিন অঞ্চলের এই দুই পরাশক্তি।
পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রাখতে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা স্বাগতিক হিসেবে মুখোমুখি হবে পেরুর। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায়, লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে। একই দিনে ঘরের মাঠ ফন্টে নোভা অ্যারেনায় উরুগুয়ের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ৪৫ মিনিটে।
তবে বাংলাদেশি দর্শকদের জন্য টিভিতে সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ নেই। তবে Sportzfy অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইলে সরাসরি খেলা উপভোগ করা যাবে। এছাড়া মোবাইলে স্কোর দেখতে এখানে ক্লিক করুন: (ব্রাজিল-উরুগুয়ে) ও (আর্জেন্টিনা-পেরু)।
পয়েন্ট তালিকার হালচাল:
লাতিন অঞ্চলের বাছাইপর্বে ইতিমধ্যে অর্ধেকের বেশি পথ অতিক্রম করেছে দলগুলো। ১১ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আর্জেন্টিনা। তবে দলটি চোট সমস্যায় ভুগছে, কারণ পাঁচজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় নিকোলাস গনজালেস, জেমান পেজেরা, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নাহুয়েল মলিনা ও ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ইনজুরিতে। ফলে স্কালোনিকে একাদশ সাজাতে করতে হচ্ছে বাড়তি পরিকল্পনা।
অন্যদিকে, ব্রাজিল এখন পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে। ১১ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স অনিশ্চয়তায় ঘেরা। ঘরের মাঠে এবার উরুগুয়েকে হারিয়ে ভালোভাবে বছর শেষ করতে চায় ডোরিভাল জুনিয়রের শিষ্যরা। প্রথম দেখায় উরুগুয়ের কাছে হারলেও এবার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ব্রাজিল।
চ্যালেঞ্জের মুখে দুই জায়ান্ট:
আর্জেন্টিনার জন্য পেরুর বিপক্ষে জয় বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করার পথে বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে হারের ফলে ফিফা র্যাংকিংয়েও প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে, ব্রাজিলের সাম্প্রতিক খারাপ ফর্ম এবং মাঠের বাইরে নানা সমস্যা তাদের উপর চাপ বাড়াচ্ছে। উরুগুয়ের বিপক্ষে জয় না পেলে বাছাইপর্বে তাদের অবস্থান আরও নাজুক হতে পারে।
এখন দেখার বিষয়, লাতিন অঞ্চলের এই দুই ফুটবল পরাশক্তি কীভাবে বছরের শেষ ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করে।