মোহনগঞ্জে বিএনপি নেতার বাসা ভাঙচুরের ঘটনায় ৬৫দিন পর থানায় অভিযোগ দায়ের
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপির আহবায়ক ফজলুল হক মাসুমের বাসভবনে ভাঙচুরের ঘটনার প্রায় ৬৫ দিন পর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৫ সেপ্টম্বর) দুপুরে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি লতিফুর রহমান রতন ও সাধারণ সম্পাদক মো.শহীদ ইকবালসহ ২৯ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২ শতাধিক নেতা-কর্মীকে আসামি করে বিএনপির ওই নেতা নিজেই বাদি হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় এ অভিযোগটি দায়ের করেন। এর আগে গত ১৮ জুলাই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায় অভিযুক্তরা। এরই এক পর্যায়ে তারা বিএনপি নেতা ফজলুল হক মাসুমের বাসভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনার প্রায় ৬৫দিন পর এ অভিযোগটি দায়ের করা হয়।
দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই সকাল থেকে সারা দেশের ন্যায় চলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল -কলেজের শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ আন্এদোলণে বিভিন্ন শ্রণী পেশার লোকজনও যোগ দেন।
এ সময় ছাত্র-জনতার এ আন্দোলনকে প্রতিহত করতে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি লতিফুর রহমান রতন ও সাধারণ সম্পাদক মো.শহীদ ইকবালের নির্দেশে আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় ২ শতাধিক নেতা-কর্মী আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকাী ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এরই এক পর্যায়ে হামলাকারীরা বিএনপি নেতা ফজলুল হক মাসুমের টেঙ্গাপাড়া এলাকার বাসভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এতে তার প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। পরে এ ঘটনার প্রায় ৬৫ দিন পর সোমবার দুপুরে আ.লীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি দায়ের করা হয়।
সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে সদ্য যোগদানকৃত মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আমিনুল ইসলাম পিপিএম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে দ্রুতই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
হাফিজুর রহমান চয়ন