মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

দুর্জয় বাংলা || Durjoy Bangla

বাঙালির দেবী দুর্গা

প্রকাশিত: ১০:৪৪, ২১ এপ্রিল ২০২৩

বাঙালির দেবী দুর্গা

দেবী দুর্গা

রাজা রামচন্দ্র রাবণ বধে সাহায্য চেয়ে দেবী দুর্গার পূজা করেছিলেন। দেবীর আশীষ পেয়ে রাবণকে হারিয়ে যুদ্ধে জয়ী হয়েছিলেন। করেছিলেন লঙ্কা জয়।

রাজা সুরথ দেবী দুর্গার বরে ফিরে পেয়েছিলেন হারানো রাজ্য। পৌরাণিক দুর্গা রাজাদের দিয়েছেন রাজ্য জয়ের বর। হত্যা করেছেন ভীষণ ভীষণ অসুরদের। শম্ভু নিশম্ভু, মহিষাসুর, দুর্গমাসুর কত অসুর মাথা হারিয়েছেন দুর্গার খড়গের আঘাতে। রক্তের নদী বইয়েছেন মা।

আধুনিক কালে আর দুর্গার তেমন রাজ্যদানের কাহিনী শোনা যায় না। তবু দিন হতে দিন বেড়ে চলেছে দুর্গার মহিমা। দুর্গা পূজার মণ্ডপ বেড়েই চলেছে, পাড়া-মহল্লায়, শহরে-বন্দরে, দেশে-বিদেশে। হিমালয় দুহিতা পূজিত হচ্ছেন বঙ্গদেশ হতে কালাপানি অবধি। ইউরোপ, আমেরিকা সর্বত্রই যেখানে যেখানে বাঙালি পৌঁছেছে সেখানেই হচ্ছে দুর্গা পূজা। রাজা মহারাজদের দুর্গা কালক্রমে সাধারণের দেবী হয়ে, হয়েছেন অন্যন্যা । পূজার বাহার বেড়েছে হাল আমলে, সাধারণ বাঙালীর কল্যাণে । সাদামাটা যেকোন বাঙালীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, দুর্গা কে ? 

কেন দেবী  দুর্গাকে চিনেন না ! শক্তির দেবী । মহাশক্তি তার । শরৎকালে বাঙালী তাঁর পূজা করে চার – পাঁচদিন ভরে । চলে উৎসব । ঢাক – ঢোলের আওয়াজ আর ধূপের গন্ধে অপরূপ পরিবেশ তৈরি হয় বাঙালীর ঘরে ঘরে  । 

 দুর্গার বয়স কত ?

হাসালেন আপনি ! দুর্গার আবার বয়স । দেবীর বয়স আছে ? ইনি যে স্বয়ং ভগবান । পৃথিবীর সৃষ্টি থেকেই  উনি আছেন , পৃথিবীর লয় পর্যন্ত থাকবেন । মানুষের বয়স হয় , ভগবানের বয়স হয় না । মহাভারতে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ শুরুর প্রাক্বালে যুধিষ্ঠির তার ভাইদের নিয়ে দুর্গা পূজা করেছিলেন। তাইতো পাণ্ডবরা যুদ্ধে জিতল। কত হাজার বছরের পূরানো দুর্গার এসব মাহাত্ম্যের কথা।

আপনারা বাঙালিরা কেন দুর্গা পূজা করেন ?

বলেন কী ! দুর্গা পূজা করব না । দুর্গতি দূর হবে কী করে। আর দুর্গা পূজা যে আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। মহোৎসব ছাড়া বাঙালি বাঁচে কী করে ? মা আসবেন পৃথিবীতে তার পূজা হবে না। তা কী হয়। মায়ের দয়াতেইতো বেঁচে বর্তে আছি। এই যে করোনাসুরের হাত থেকে বাঁচলাম, সেতো মায়ের করুণাতেই। ভ্যাকসিন দিয়েছে সরকার। নিয়েছি। তা ভ্যাকসিন কী এমনি এমনি এসে গেল। মায়ের দয়া সবই মায়ের দয়া। তার পূজা করব না তো ভাই কার পূজা করব ?

আমরা সাধারণ মানুষ, সাধারণের মত বাঁচতে চাই। বেশ কিছুকাল বাঁচার পর স্বাভাবিকভাবেই মরতে চাই। মরার পরও মায়ের কাছে যেতে চাই। রাজ্য চাই না, মন্ত্রিত্ব চাই না, ক্ষমতা চাই না। শুধু অসুরদের হাত থেকে বাঁচতে চাই। অসুরেরা মায়ের ভয়েইতো কাছে ঘেঁষে না, নইলে কবেই ওদের ভোগে লেগে যেতাম।

বেশি কিছু চাই না ভাই। মা যেন দু’ বেলা দু’মুঠো খেতে দেয়। বাচ্চাগুলো যেন একটু ভালো কাপড়-চোপড় পরতে পারে। রাস্তাঘাটে যেন ট্রাক –বাস পিষে না মারে। স্কুল থেকে সন্তানটা যেন নির্বিঘ্নে ঘরে ফিরতে পারে। এবারের ফসলটা যেন ঘরে তুলতে পারি। ছোট ভাইয়ের কেরাণির চাকরিীটি যেন বসের রোষানলে না পড়ে। কেউ যেন বসতভিটাটি জাল দলিল করে পথে বসিয়ে না দেয়। আর কী বলব ভাই। সাদামাটা মানুষ জন্মেছি মানুষ হয়ে, মানুষ হয়েই মরতে চাই। যেন উদ্বাস্তু না হতে হয়। মা আমাদের জগৎজননী সারা বছর রক্ষা করেন। আর বছরে একবার নিজ চোখে এসে দেখে যান।

কখন কীভাবে দুর্গা পূজা করেন ?

সাধারণত শরৎকালে, বাংলা নবপঞ্জিকা দেখে পুরুত মশাই পূজার দিনক্ষণ ঠিক করেন।

তারপর কুমার মাটি নিয়ে লেগে যায় মূর্তি তৈরিতে। মাটির মূর্তিতে মিশিয়ে দেয় মায়ের রূপ।

প্রকৃতির রং লাগিয়ে মাকে করে তোলে অপরূপা। পুরুতের মন্ত্রে জেগে ওঠেন মা। আমরা অবাক হয়ে দেখি। মন্ত্র-টন্ত্র অত বুঝি না। শুধু অঞ্জলী দিই। পুরুত মন্ত্র বলেন আমরা তার সাথে সাথে জপি। দণ্ডবৎ হয়ে প্রণাম করি। প্রণামের কালে যা যা চাইবার চেয়ে নিই। শতভাগ প্রার্থনা না ফললেও সিকিভাগ ফলবে এটা বিশ্বাস করি। ইদানিং মায়ের সাথে  দু’ একটা সেলফি না তুললে আবার চলে না। নিজের ব্যক্তিগত চাওয়া শেষ হলে বলি ,সবাইকে ভালো রেখ মা। মনে মনে অবশ্যই প্রতিবেশির জন্য আমার চেয়ে বেশি উন্নতি কামনা করি না। বল দুর্গা মাই কি, জয়। হয়ে গেল পূজা ,উৎসব।

অবশ্য বসন্তকালেও অনেকে দুর্গাপূজা করেন। তবে সে সময় উৎসব জমে না।

সাধারণ হিন্দু বাঙালির পূজা পদ্ধতি এরকমই। বাঙালির পূর্বে হিন্দু শব্দটি বসাতেই হল। সাম্প্রদায়িকতা সব জায়গাতেই ভাগ বসিয়েছে। দুর্গাপূজা বাদ যাবে কেন ? দুর্গাপূজা এখন আর আপামর বাঙালির পূজা নেই। অনেকেই পূজা পছন্দ করে না। অন্যের করা পূজাও পছন্দ নয় অনেকের। এদের সংখ্যা বাড়ছে। এমন বাঙালি অনেকই পাবেন। তাদের যদি প্রশ্ন করা হয় দুর্গা কে ?

 ওটা হিন্দুদের দেবী। হিন্দুরা প্রত্যেক বছর মাটি দিয়ে বানায়। চার-পাঁচ দিন নেচে গেয়ে পূজা করে। পূজায় কতরকমের বাদ্য বাজায়। দিন-রাত কান জ্বালাপালা। রাতে ঠিকমত ঘুমানো যায় না। হিন্দুদের মূর্তি দেখা পাপ। একবার লুকিয়ে দেখেছি। পরে তওবা করেছি।  কী রকম অদ্ভূত ব্যাপার দেখেন ভাই। কত যত্ন করে গড়ে। পূজা করে। ভক্তি দেয়। আবার কেঁদে-কেটে নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়ে আসে।

এ মনোভাবের বাঙালি শিক্ষিতের সংখ্যাও বাড়ছে বৈ কমছে না। আবার দুর্গাপূজাকে অসাম্প্রদায়িক করার জন্যে কিছু কিছু অবাঙালিও পূজায় সামিল হচ্ছে। অহিন্দু বাঙালি, হিন্দু মাসিমার হাতের লুচির লোভে ঘর ছাড়ছে না। কিংবা বন্ধুর সান্নিধ্য লাভের আশায় অহিন্দু বন্ধু পূজার পুরো ছুটি কাটিয়ে দিচ্ছে হিন্দু বন্ধুর বাড়িতে। ঢাকের তালে সামিল হচ্ছে সন্ধ্যা আরতিতে।

অসাধারণ বাঙালি এখন দুর্গাপূজা করেননা এমন নয়। তবে পূজার ধরণ পাল্টেছে। রাজা-মহারাজা নেই, জমিদার নেই। কিন্তু নব্য ধনিক শ্রেণী জমিদারদের তুলনায় কম নয়। এলিট শ্রেণীর হিন্দু ধুম-ধাড়াক্বা পূজা করতে পছন্দ করেন। তবে আগেকার বনেদী পরিবারের মত নিজেদের পূজা না বানিয়ে সাধারণের পূজার রূপ দিতে পছন্দ করেন। তাতেই বেশি সুনাম বলে মনে করেন। এককথায় দুর্গা মা আধুনিক বাঙলায় সর্বসাধারণের হয়ে অনন্যা হয়েছেন রাজগৃহ ছেড়ে। জগৎশেঠদের বাড়ির দুর্গা পূজা দূর থেকে দেখে সাধারণ জনে আফসোস করত। সেই আফসোস ঘোচাল বার ইয়ার। বারোয়ারি  বা অনেকে মিলে পূজার আয়োজন হয়ে উঠল দুর্গা পূজার প্রকৃত রূপ। যা আজো চলমান।

আবার ফিরে যাই সাদামাটা বাঙালির কাছে।

বাবার বাড়ি বেড়াতে এলে দুর্গা মাকে কী কী খাওয়ান ?

না-রে ভাই, তেমন কিছু না। মা শুধু ভক্তি পেলেই খুশি। শুধু জল দিয়ে পূজা করলেও মা খুশি। শ্রদ্ধার সাথে মাকে যা দেওয়া যাবে, তা-ই মায়ের ভোগে লাগবে। আমাদের ঘরের খাবারই মায়ের পছন্দ। মা আমার মাছ মাংস পছন্দ করেন না। কিছু ফল-মূল, সবজি, ডাল-ভাত, দুধ প্রভৃতি হলেই হল। কেউ কেউ পশুবলি দেয় মায়ের পূজোতে। নরবলি চালু ছিল প্রাচীন বাঙলায়। মাংসখেকো এধরণের বাঙালি নরবলি ছেড়েছে, কিন্তু মন থেকে পশুত্ব বিসর্জনের অজুহাত দেখিয়ে পশুবলি বহাল রেখেছে। তারা ,মায়ের সামনে পশু বলি দিয়ে পশুত্ব ত্যাগ করে ঠিকই কিন্তু পশুর লাশটাকে ত্যাগ করে না। আনন্দের সঙ্গে ভোজন করে কচি পাঠার বিরিয়ানি। সৈয়দ মুজতবা আলীর আবিষ্কৃত শব্দ খাসির মাংস মাটন, পাঠার মাংস পাঠন।  অবুঝ ভক্ত বলে, মায়ের প্রসাদ ফেলি কী করে ? আমি ভাই ভেতো বাঙালি, কাউকে খুন করে, তার রক্তে মাকে খুশি করতে চাই না। মায়ের জয়ধ্বনি দিয়েই মাকে খুশি করতে চাই। নেচে গেয়ে মায়ের মনোরঞ্জন করতে চাই। ফুল দিয়ে পূজা করতে চাই মায়ের।

বাঙালি নাস্তিক হলেও দুর্গা পূজা করে। নিজে পূজার ফুল না তুললেও, পাড়ার পূজোর চাঁদা ঠিকই দিতে হয়। বাচ্চাদের কাপড়-চোপড় কিনতে হয়। রবী ঠাকুররা ব্রাহ্ম ছিলেন। হিন্দু নন। কিন্তু বাড়িতে দুর্গা পূজা হত। বাঙালির উৎসব বলে কথা। দুর্গার কী মহিমা। বাঙালি শুধু বর পাওয়ার আশায় দুর্গাপূজা করে না। দুর্গাপূজা সাধারণ বাঙালির রক্তে মিশে আছে। এই না হলেন দেবী। রাজার দেবী, প্রজার দেবী। ধনীর দেবী ভিখারির দেবী। সুরের দেবী, অসুরের দেবী। মূর্তি উপাসক মাত্রই স্বীকার করবেন সকল দেব-দেবী সবার কাছে সমানভাবে পূজনীয় নন। তা গ্রীক পূরাণের দেবী আর ভারতীয় পূরাণের দেবী হোন সকলের এক অবস্থা। মনসামঙ্গলকাব্যে চাঁদ সওদাগর দেবী মনসার পূজা করতে রাজি হননি। তিনি ছিলেন শিব উপাসক। পরে চাপে পড়ে বাধ্য হয়েছেন মনসার পূজা করতে। তা ও বাম হাতে ফুল অর্পন করে পূজা করেছেন। কামারের দেবতা বিশ্বকর্মা, বিদ্যার্থীর দেবী সরস্বতী এভাবে একেক বিভাগে একেকজন দেব-দেবী। কিন্তু দুর্গা সবার দেবী। সকল দেবতার দেবী। দুর্গা সর্বত্র পূজিত দেবী। বেশ্যালয় থেকে রাণীর অন্দরমহল সবখানেই দুর্গা পূজিত। সাধারণে “ দুর্গে ইহ স্বাগতং”।

সাধারণ বাঙালি বৃদ্ধা, মা, বধু- দেবীর বিসর্জনের পূর্বে অপেক্ষায় থাকেন। ঘরে কাঠের জলচৌকিতে আল্পনা এঁকে রাখেন। কৈলাশে যাবার আগে মা কলাবউ সেজে এসে বসবেন। আশীর্বাদ করে যাবেন। সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে। বিজয়া দশমীতে সবাই চোখের জলে বিদায় দেন দেবী দুর্গাকে, সামনের বছর এসো মা। পথের পাচালীর দুর্গার কুঁজো বৃদ্ধা পিসি মাটিতে কপাল ঠেকিয়ে মনে প্রাণে ডাকেন আমাকে নিয়ে যাও মা ,উদ্ধার কর মা। মা-ম এর সাথে বৃহৎ আকার গঙ্গা,যমুনা, সুরমায় ছলাৎ, ছলাৎ শব্দ তুলে বিসর্জনে যান দুর্গা। সাধারণেই বিসর্জিত হোন অনন্যসাধারণ দুর্গা মা। সাধারণ বাঙালি রক্তজবা চোখে, ভাঙা গলায় গান ধরে-

মাকে ভাসাইয়া জলে

কী ধন লইয়া যাব ঘরে

ঘরে গিয়া কারে ডাকিব মা।

আরও পড়ুন: মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার অনুরোধ: ডিএমপি কমিশনার

শীর্ষ সংবাদ:

ঈদ ও নববর্ষে পদ্মা সেতুতে ২১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা টোল আদায়
নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে: প্রধানমন্ত্রী
কলমাকান্দায় মোটরসাইকেলের চাকা ফেটে তিনজনের মৃত্যু
র‌্যাব-১৪’র অভিযানে ১৪৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক
সবার সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করুন: প্রধানমন্ত্রী
ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত প্রকৃতি কন্যা জাফলং ও নীল নদ লালাখাল
কেন্দুয়ায় তিন দিনব্যাপী ‘জালাল মেলা’ উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী চড়কসহ গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত
কেন্দুয়ায় আউশ ধানের বীজ বিতরণ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত
কলমাকান্দায় দেশীয় অস্ত্রসহ পিতাপুত্র আটক
ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রামগঞ্জে জ্বালানি চাহিদা পূরণ করছে গোবরের তৈরি করা লাকড়ি গৃহবধূরা
ফুলবাড়ীতে এসিল্যান্ডের সরকারি মোবাইল ফোন নম্বর ক্লোন চাঁদা দাবি: থানায় জিডি দায়ের
ফুলবাড়ীতে সবজির দাম উর্ধ্বমূখী রাতারাতি দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ ভোক্তা
ধর্মপাশায় সরকারি রাস্তার গাছ কেটে নিলো এক শিক্ষক
সাঈদীর মৃত্যু নিয়ে ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেয়ায় রামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা বহিস্কার
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন
মসিকে ১০ কোটি টাকার সড়ক ও ড্রেনের কাজ উদ্বোধন করলেন মেয়র
কলমাকান্দায় নদীর পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ-বেত শিল্প
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক যতীন সরকারের জন্মদিন উদযাপন
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ যতীন সরকারের ৮৮তম জন্মদিন আজ
১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে এমএলএম mtfe বন্ধ
কলমাকান্দায় পুলিশের কাছে ধরা পড়লো তিন মাদক কারবারি
আটপাড়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০৩ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
নকলায় ফাঁসিতে ঝুলে নেশাগ্রস্থ কিশোরের আত্মহত্যা
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলামের রাজনৈতিক জীবনের ইতিহাস
কলমাকান্দায় আগুনে পুড়ে ২১ দোকানঘর ছাই

Notice: Undefined variable: sAddThis in /home/durjoyba/public_html/details.php on line 809